kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

বাবার চাকরি পেতে তাকে মেরেই ফেলল ছেলে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাবার চাকরি পেতে তাকে মেরেই ফেলল ছেলে

কর্মজীবনের শেষ প্রান্তে এসে খুন হলেন মহাবীর। ভারতের ছত্তীসগঢ়ের এক সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী তিনি। তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেও খুনের কারণ নিয়ে জটলা কাটিয়ে উঠতে পারছিল না পুলিশ। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে করতে জানা যায়, হত্যাকারী আর কেউ নয়- মহাবীর সাইয়ের ছোট ছেলে জীবন। আর বাবাকে হত্যার পেছনে রয়েছে একটা সরকারি নিয়ম।

মহাবীর সাইয়ের চাকরি শেষ হতে আর দিন সাতেক বাকি ছিল। কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে গত রবিবার তার মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায় গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলে। পুলিশ দেখে, তার মাথায় একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন।

এর পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে পুলিশ আটকও করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মহাবীরের ছোট ছেলে জীবন সাইকেও আটক করে পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জীবন স্বীকার করে নেন, তিনি খুন করেছেন। এ কাজে তাকে সাহায্য করেছিল আরো দুই ব্যক্তি।

কিন্তু কেন বাবাকে খুন করতে গেলেন? কী সমস্যা ছিল তার বাবার সঙ্গে? জীবনকে চেপে ধরতেই সব কথা জানান। আর তার মুখে হত্যার কারণ শুনেই চমকে যান তদন্তকারী কর্মকর্তারা। জীবন তাদের জানান, বাবার সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় তাকে খুন করেছেন। 

এ ঘটনায় জসপুরের এসপি শঙ্কর লাল বাঘেল বলেছেন, আমরা তদন্ত করে দেখেছি এই সপ্তাহে অবসর নিতেন মহাবীর। তার ছোট ছেলে জীবন সাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, তিনি খুন করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি পেতেই বাবাকে খুন করেছেন। সেই খুনে আরো দু’জন তাকে সাহায্য করেছিল। সোমবার আমরা তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছি।

সরকারি চাকরির জন্য বাবাকে হত্যার ঘটনা এই প্রথম নয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ রকম এক ঘটনা চমকে দিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের মানুষকে। সেখানেও সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবার নলি কেটেছিল ২২ বছরের ছেলে। 

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে  হত্যাকারী ছেলে জানিয়েছিল, সরকারি চাকরি না পেলে তাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিল না তার বান্ধবী। তাই বাবার সরকারি চাকরি হাতাতে খুন করার পরিকল্পনা করে সে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা