kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

'মহাগুরু'র পায়ের নিচে শিক্ষক!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'মহাগুরু'র পায়ের নিচে শিক্ষক!

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি তিনি। তার নির্দেশে এক ঘাটে জল খায় বাঘে গরুতে। মুখ খুললেই তৈরি হয় বিতর্কের পাহাড়। আর সেই রাজনৈতিক নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে তৈরি হলো আরো একবার বিতর্ক। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ছবিতে দেখা যায়, অনুব্রত মণ্ডলের পদতলে বসে বীরভূমের এক প্রাথমিক শিক্ষক। যিনি আবার বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি। ফেসবুকে ভাইরাল ছবিটি সংক্রান্ত পোস্ট করা লেখাটি আরো বেশি বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। 

ফেসবুকের পোস্টটিতে চেয়ারম্যান অনুব্রতকে ‘মহাগুরু’ বলে সম্বোধন করেছেন প্রলয় নায়েক। একজন শিক্ষক রাজনৈতিক নেতার পদতলে বসে তার গুণকীর্তন করায় বেঁধেছে বিতর্ক। প্রশাসনিক পদে থাকা এক ব্যক্তিত্বের এই রাজনৈতিক বদান্যতা দেখে নানা মন্তব্য, কটূক্তি, সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে। বিরোধীদের সমালোচনা, শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান পদটি প্রশাসনিক। সেখানে থেকে রাজনৈতিক নেতার চরণতলে বসা এবং এই সম্বোধন থেকেই স্পষ্ট যে বীরভূমের শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা দল কেন্দ্রিক।

বামফ্রন্ট আমলে শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান তথা সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য গৌতম ঘোষের দাবি, কারো প্রতি শ্রদ্ধাভক্তি থাকতেই পারে। কিন্তু প্রশাসনিক পদে বসে কী করা উচিত, কী করা যায় না, তার জ্ঞান থাকা দরকার। 

বিজেপির জেলা সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রলয়বাবু যোগ্যতায় যে অধম, তা তিনি প্রমাণ করলেন। অযোগ্য ব্যক্তি ওই পদ পাওয়ায় মহাগুরুর চরণ বন্দনা করা উচিত, এটা স্বাভাবিক। আমরা বরং বুঝতে পারলাম, কাদের আদর্শে জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে।

এই ঘটনায় তৃণমূলের পালটা সাফাই, চেয়ারম্যান হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক ছিলেন প্রলয়। তাই অনুব্রত মণ্ডলের প্রতি তার ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা চলবে না।

এই বিষয়ে প্রলয় নায়েক বলেন, আমি নিজে বোলপুরের ছেলে। অনুব্রত মণ্ডলকে জন্মলগ্ন থেকে দেখছি। সেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছিলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা