kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

'মৃত' বলে ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল, বাড়ি ফিরতেই বেঁচে উঠলেন বৃদ্ধা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



 'মৃত' বলে ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল, বাড়ি ফিরতেই বেঁচে উঠলেন বৃদ্ধা!

প্রতীকী ছবি

হাসপাতাল থেকে  ৭৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে 'মৃত' বলে ফিরিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু বাড়ি ফিরতেই বেঁচে উঠেছেন তিনি। এমনটাই দাবি করেছে তার পরিবার। সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। 

ওই নারীর নাম আনন্দময়ী দাস। হাসপাতাল থেকে  বাড়িতে আনার পর দেখা গেছে রীতিমতো শ্বাস চলছে ওই বৃদ্ধার। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বীরভূমের বোলপুরে। ফের বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই বৃদ্ধাকে। পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরই গাফিলতির অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় হাসপাতাল চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। বেশ খানিকক্ষণ পর নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

জানা গেছে, বোলপুরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কুমোরপুকুর পাড়ার বাসিন্দা আনন্দময়ী দাস। বার্ধক্যজনিত কারণে তাঁকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। 

পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের চিকিৎসক পঙ্কজ বিশ্বাস বৃদ্ধাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত বলে জানিয়ে দেন। বৃদ্ধাকে আর হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া হয়নি। দেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান স্বজনরা।

মৃত নারীর ছেলে নিতাই দাস বলেন, বাড়ি ফিরে দেখা যায় মায়ের শ্বাস চলছে। 

বাড়িতে আনার পর আনন্দময়ী দাস পানিও পান করেছেন বলে দাবি করেছেন পরিবারের লোকেরা। এরপরই তড়িঘড়ি ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ করেন পরিবারের লোকজন। 

তাঁদের অভিযোগ, প্রথমবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সঠিক চিকিৎসা হয়নি। কোনও চিকিৎসা না করিয়েই ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। সে সময় সঠিক চিকিৎসা হলে আনন্দময়ী দাস প্রাণে বেঁচে যেতেন।

এদিকে, বিক্ষোভের খবর পেয়েই  ঘটনাস্থলে আসে বোলপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত চিকিৎসক পঙ্কজ বিশ্বাস সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, নার্ভ পাচ্ছিলাম না, আমার সিনিয়ররাও নার্ভ পাচ্ছিলেন না। তাই তাদের জানিয়ে দিই। তারা দেহ নিয়ে চলে যায়। এবার এসে বলছে বাড়িতে পানি খেয়েছে। এখন দেখলাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র : জি-নিউজ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা