kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, সিপিএম নেতা খুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২২:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, সিপিএম নেতা খুন

তিনদিন আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন ভারতের বীরভূমের সূচপুর হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতা সুভাষচন্দ্র। সোমবার  দুবরাজপুরে একটি পুকুর পাড়ের বাঁশবাগানের মাটির তলা থেকে নেতার মাথাবিহীন লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এখনও তার দুপা এবং মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশের কাছেই খুনী এবং তার সহযোগীর দেখিয়ে দেয়া জায়গা থেকেই ওই খণ্ডিত দেহ উদ্ধার হয়েছে। আর গোটা ঘটনায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য! পুলিশের দাবি, বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েই খুন হতে হয়েছে বীরভূমের সিপিএম নেতা সুভাষচন্দ্র দে-কে।

গত ১৮ অক্টোবর থেকে সুভাষবাবু নিখোঁজ ছিলেন। ১৯ অক্টোবর অর্থাৎ নিখোঁজ হওয়ার পরের দিন তার বাইক পাওয়া যায় এক তৃণমূল নেতার মালিকানাধীন বেসরকারি কলেজের সামনে।

বীরভূম পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, সুভাষবাবুর সঙ্গে তার এক বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ শুক্রবারও তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন ওই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ছিলেন, তখন হঠাৎই তার স্বামী মতিউর রহমান বাড়ি ফিরে আসেন। নিজের স্ত্রীকে সুভাষবাবুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে রাগের মাথায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে শাবলের আঘাত করেন তার ঘাড়ে।

এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে উপুর্যপরি আরও কয়েক বার আঘাত করেন। স্ত্রী-র সাহায্যে দেহটি তিন টুকরো করেন। এরপর মাথা আর দুপা ভাসিয়ে দেওয়া হয় নদীতে। দেহের বাকি অংশ একটা চটের ব্যাগে ভরে তাদের বাড়ির কাছে একটি পুকুরপাড়ে বাঁশবাগানে পুঁতে দেন স্বামী-স্ত্রী মিলে।

পুরো ঘটনার কথা মতিউর এবং তার স্ত্রী পুলিশের জেরার মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন। তাদের দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকেই উদ্ধার হয়েছে সুভাষবাবুর দেহের অংশ।

পুলিশের দাবি, প্রথমে কিছু স্বীকার না করলেও পরে জেরার চাপে সোনা শেখের মেয়ে স্বীকার করেন, সুভাষ ওই দিন তাদের বাড়িতে এসেছিলেন। এর পরই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে মতিউরের স্ত্রী-র সঙ্গে সুভাষের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা। এরপরই মতিউর খুনের কথা স্বীকার করেন। সোমবার পুলিশ মতিউরের দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকে সুভাষের খণ্ডিত ধড় মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মতিউর এবং তার স্ত্রীকে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা