• ই-পেপার

গাদ্দাফি হত্যায় ফ্রান্সের হাত ছিল!

জার্মানির স্টাড শহরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
জার্মানির স্টাড শহরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৫

জার্মানির উত্তরাঞ্চলীয় স্টাড শহরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। ইতোমধ্যে এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) এই ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর রয়টার্স

লুনেবুর্গ পুলিশ সদর দপ্তরের এক্স’য়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জনসাধারণকে এলাকাটি এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনাটি হামবুর্গের পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ৫০হাজার জনবসতির শহর স্টেডের একটি যুব কেন্দ্রের কাছ ঘটনাটি ঘটেছে।

হামলার পেছনে কী কারণ বা উদ্দেশ্য ছিল, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। পুলিশ ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

ঘটনার পরপরই সেখানে ব্যাপক সংখ্যক জরুরি সেবা ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে পুলিশ।

কেতনের টাকায় জীবন সাজাতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কেতনের টাকায় জীবন সাজাতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন
সংগৃহীত ছবি

সিয়া গোয়েল প্রেম করতেন চেতন চৌধুরীর সঙ্গে। কিন্তু পরিবার তার বিয়ে ঠিক করেছিল ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে। বিয়েতে মত না থাকলেও পরিবারের মুখের ওপর ‘না’ বলার সাহস ছিল না সিয়ার। পরিবারের মর্যাদার কথা ভেবে বাগদান ও বিয়ের আয়োজনে তাল মিলিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু মনে মনে আঁটছিলেন ভয়ংকর পরিকল্পনা। 

পরিবারের মতের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেয়ে হবু বরকে হত্যা করাটাই তার কাছে সহজ মনে হয়েছিল। প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে গত ১৮ জুন সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নও করেন সিয়া। দুজন মিলে পুনের লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা করেন কেতন আগরওয়ালকে। 
চেতন চৌধুরী বিয়ের জন্য সিয়ার কাছে ৩ বছর সময় চেয়েছিলেন। এ সময়ে নিজের ব্যবসা গুছিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। 

সিয়ার ধারণা ছিল, কেতন লোহাগড় দুর্গে পা পিছলে পরে মারা গেছেন, এটা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে তাদের সব ঝামেলা মিটে যাবে। দূর হয়ে যাবে তাদের প্রেমের বাধা। শোকে কাতর পরিবারও শিগগিরই তার বিয়ের কথা আর তুলবেন না। এই সুযোগে চেতন তার ব্যবসা গোছাবে, সিয়াও নিজের বেকারির ব্যবসা এগিয়ে নেবেন। বছর তিনেক পর বিয়ে করলে তখন তারা মোটামুটি সচ্ছলতার সঙ্গে সংসার শুরু করতে পারবেন। তত দিনে কেউ আর তাদের সন্দেহও করবে না।

কেতন আগরওয়াল ছিলেন পুনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। তার বাবা বিশাল আগরওয়াল আবাসন প্রতিষ্ঠান সাকসেস গ্রপের প্রতিষ্ঠাতা। বিদেশে পড়াশোনা শেষে ভারতে ফিরে কেতনও বাবার ব্যবসায় যোগ দেন। তিনি ছিলেন সাকসেস গ্রুপের পরিচালক ও চিফ মার্কেটিং অফিসার। গত ফেব্রুয়ারিতে সিয়ার সঙ্গে কেতনের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে জয়পুরে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। সে জন্য ১৭ কোটি রুপিতে প্রাসাদ বুক করা হয়েছিল। সিয়া নিজেদের ভবিষ্যত গোছাতে কেতনের বিত্তের সহায়তাও নিয়েছিলেন। কেতন বিয়ের শপিং করার জন্য সিয়াকে ১ কোটি রুপি দিয়েছিলেন। কিন্তু শপিং না করে সিয়া পুরো টাকাটা তুলে দেন প্রেমিক চেতন চৌধুরীর হাতে। এ টাকায় চেতন তার ব্যবসা আরো বড় করার পরিকল্পনা করছিলেন।

কিন্তু নিখুঁত পরিকল্পনা করেও বাঁচতে পারেননি তারা। কেতনকে হত্যার অভিযোগে সিয়া-চেতন দুজনই এখন পুলিশ রিমান্ডে।

এমএইচ৩৭০ খোঁজার অভিযান চলবে আরো এক বছর

অনলাইন ডেস্ক
এমএইচ৩৭০ খোঁজার অভিযান চলবে আরো এক বছর
ছবি : রয়টার্স

নিখোঁজ মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর জন্য পানির নিচে অনুসন্ধান চালানোর উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্র অনুসন্ধানকারী সংস্থা ওশান ইনফিনিটির সঙ্গে মালয়েশিয়ার চুক্তি এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে। আজ সোমবার (২৯ জুন) দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।

নিখোঁজ মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এয়ারলাইনস ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর সন্ধানে সমুদ্রের তলদেশে অনুসন্ধান চালানোর জন্য গভীর সমুদ্র অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান ওশান ইনফিনিটির সঙ্গে মালয়েশিয়া সরকারের চুক্তির মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হয়েছে। সোমবার দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।

২০১৪ সালে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি ২২৭ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়, যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী বিমান রহস্যে পরিণত হয়। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে বিমানটির জন্য পরিচালিত একাধিক অনুসন্ধান অভিযান ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।

ওশান ইনফিনিটি ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিমানটির জন্য অনুসন্ধান চালিয়েছিল। গত বছর সংস্থাটি মালয়েশিয়ার সঙ্গে ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটার (৫৭৯২ বর্গমাইল) এলাকাজুড়ে অনুসন্ধান পুনরায় শুরু করার জন্য একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে শুধু ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেলেই সংস্থাটিকে ৭০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করা হবে।

মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী অ্যান্টনি লোক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১২ মাস বাড়ানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর যাত্রীদের নিকটাত্মীয়দের জন্য একটি চূড়ান্ত সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারের ধারাবাহিক ও অবিচল প্রতিশ্রুতিরই একটি বহিঃপ্রকাশ।’

অ্যান্টনি বলেন, এই মেয়াদ বৃদ্ধির লক্ষ্য হলো—ওশান ইনফিনিটির মাধ্যমে অবশিষ্ট সাত হাজার ৪২৮.৫৪ বর্গকিলোমিটার এলাকার অনুসন্ধান সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন করা। তিনি আরো বলেন, এতে ওশান ইনফিনিটির নতুন বাণিজ্যিক চুক্তির বাধ্যবাধকতাগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর জন্য ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে অনুসন্ধানের প্রধান সরঞ্জামগুলোকে সাময়িকভাবে অন্য একটি স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।

ইরানি সাইবার হামলা ব্যাপকভাবে বেড়েছে, দাবি ইসরায়েলের

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি সাইবার হামলা ব্যাপকভাবে বেড়েছে, দাবি ইসরায়েলের
ছবি : রয়টার্স

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের ওপর ইরানি সাইবার হামলার সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) একজন ঊর্ধ্বতন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে

ইসরায়েলের জাতীয় সাইবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ইয়োসি কারাদি জার্মান সংবাদপত্র ‘ডাই ওয়েল্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলাকালে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রায় ১,৬০০টি শত্রুভাবাপন্ন সাইবার হামলা নথিভুক্ত করেছিল। তবে ২০২৬ সালের ঠিক একই মাসে (চলতি জুন মাসে) এই হামলার সংখ্যা তিন গুণ বেড়ে প্রায় ৪,৮০০টিতে দাঁড়িয়েছে।

সাক্ষাৎকারে কারাদি বলেন, কিছু হ্যাকার গোষ্ঠী খুবই দক্ষ। আমরা পরিস্থিতি সামলাতে পারছি, কিন্তু তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রচলিত যুদ্ধের ময়দানের মতো সাইবার জগতে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। এই সাইবার হামলাগুলো ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলোকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে কারাদি দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর ওপর আসা সব হামলা তারা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থার পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি আকারের কোম্পানি, সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত সিস্টেম এবং বিভিন্ন আইন ও হিসাবরক্ষণ (অ্যাকাউন্টিং) সংস্থাকে লক্ষ্য বানানো হয়েছে। যে কম্পানিগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল বা সহজে অনুপ্রবেশযোগ্য ছিল, হ্যাকাররা সেগুলোর কম্পিউটার সিস্টেমের সমস্ত ডেটা বা তথ্য মুছে দিয়েছে। সাইবার হামলার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে ইরান।

গাদ্দাফি হত্যায় ফ্রান্সের হাত ছিল! | কালের কণ্ঠ