kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রহর গুনছে বসুন্ধরা কনভেনশন সিটি, ইতিহাস রচিত হতে আরেকদিন বাকি

অনিতা চৌধুরি, কলকাতা প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রহর গুনছে বসুন্ধরা কনভেনশন সিটি, ইতিহাস রচিত হতে আরেকদিন বাকি

আর মাত্র এক দিন বাকি। ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা, যেখানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে  প্রথম বাংলাদেশ-ভারত ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস। ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া এবং বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে আগামী ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ-ভারত ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড।

২১ অক্টোবর যেন একুশে ফেব্রুয়ারির মতো তাৎপর্য রাখতে পারে চলচ্চিত্র জগতের জন্য, সেটাই দুই বাংলার অভিনেতা-অভিনেত্রী, কলাকুশলিদের প্রত্যাশা। আর এই আশার কথাই শোনা গেল গত শুক্রবার কলকাতা পাঁচতারকা হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড নমিনেশন এর সাংবাদিক সম্মেলনে।

‌'আজকে ১০ বছরের চেষ্টা সফল হলো ... দুই বাংলার এই যৌথ প্রচেষ্টায় অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান বাংলার সংস্কৃতি এক নতুন দিক উন্মোচন করবে', বলেন জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং এই ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড এর দুই জুরি মেম্বার আলমগীর এবং টলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী। চাঁদের হাটে আরো ছিলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, জিৎ এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আলোচনা হলো দুই দেশের এই মহান উদ্যোগ নিয়ে এবং তার সাথেই কথা হলো বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে ।

'বাংলা চলচ্চিত্র টিকিয়ে রাখতে হলে, দুই বাংলা-কে তাল মিলিয়ে চলতে হবে এবং চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আর যদি তা হয়, বাংলা সিনেমাহল জীবন পাবে আগের মতো', বলেন আলমগীর। 

তবে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, যৌথ প্রযোজনার নামে যৌথ প্রতারণা না করে সঠিক নিয়ম নীতি মেনে এগিয়ে যেতে হবে। আর তা হলেই দুই দেশের মঙ্গল।

এই হাত ধরে এগিয়ে চলার পথে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে আলমগীর বলেন, সাংবাদিকদের কলম এবং আমাদের ক্যামেরা একসাথে হলেই সব প্রতিকূলতা কাটানো সম্ভব হবে।

অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানান, তিনি খুব এক্সাইটেড এই অনুষ্ঠান নিয়ে। তিনি ২১ তারিখে মঞ্চ মাতাতে চলেছেন। তিনি আরো জানান, টলিউডের মতই ঢালিউড তার খুব কাছের। এপার বাংলা ওপার বাংলা বলে আমার জন্য কিছু নেই দুটোই এক বাংলা', বলেন ঋতুপর্ণা।

তিনি আরো বলেন, 'আমি কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে সিনেমার শুটিং করে ফিরেছি। এত ভালোবাসা, এত মায়া বাংলাদেশের প্রতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

সুপারস্টার জিৎ বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। 'আমি এত ভালোবাসা পেয়েছি, আমার এখনো মনে আছে আমি বুম্বাদার সাথে প্রথম বাংলাদেশ গেছিলাম। পুরো অবাক হয়ে গেছিলাম মানুষের ভালোবাসা দেখে। আমার পরপর চারটি সিনেমা রিলিজ করেছে ওখানে এবং আমি মনে করি না যে সিনেমা নিয়ে ওখানে যাওয়াটা খুব কষ্টসাধ্য, যদি সব নিয়ম-নীতি মেনে যাওয়া যায়।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা