kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

যে কারণে ভুটানে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় বাইকার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে কারণে ভুটানে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় বাইকার

ভুটানের বিখ্যাত সৌধ দোচু লা স্তূপে অভিজিৎ রতন হাজারে

সম্প্রতি ভারতীয় বাইকারদের একটি দল ভারত ও ভুটানে প্রবল সমালোচিত হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তাদের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ওই দলটির একজন সদস্য ভুটানের বিখ্যাত সৌধ দোচু লা স্তূপে উঠেছিলেন। এ কারণে তাকে আটক করা হয়েছিল। আটক করার পর ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। 

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই বাইকার মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তার নাম অভিজিৎ রতন হাজারে।

রয়্যাল ভুটান পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন রতন হাজারে। তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভুটানের অন্যতম সৌধ হলো দোচু লা স্তূপ। এতেই চড়েছিলেন অভিজিৎ রতন হাজারে। 

২০০৩ সালে ভারতবিরোধী একাধিক জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ভুটান সরকার অপারেশন অল ক্লিয়ার চালিয়েছিল। সেই জঙ্গি দমন অভিযানে নিহত ভুটানি সেনাদের স্মরণে এই স্তূপ তৈরি করা হয়। বিখ্যাত দোচু লা গিরিপথের মুখে ১০৮টি ছোট ছোট স্তূপ নিয়ে বিশাল এক সৌধ এটি যা বিশ্ব বিখ্যাত। থিম্পু থেকে পুনাখা যাওয়ার পথেই পড়ে এই সৌধ।

থিম্পুর পুলিশ বলছে, ১৫ জনের বাইকার দলটি ভারত থেকে এসে ভুটানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরছে। তারা পুনাখা যাওয়ার পথে দোচু লা স্তূপের কাছে পৌঁছায়। 

অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই স্তূপে উঠে পড়ে অভিজিৎ রতন হাজারে। 

থিম্পুর সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, দোচু লা স্তূপে তখন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। কর্মীরা ওই ভারতীয় দলটিকে স্তূপে চড়তে নিষেধ করেন। কিন্তু কেউ সেকথা শোনেনি। বন্ধুদের উস্কানিতে অভিজিৎ একটি স্তূপের ওপরে উঠে ছবি তোলেন। স্তূপের কর্মীরাও নিজেদের মোবাইলে পুরো ঘটনা রেকর্ড করেন। কিছুক্ষণ পরেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায় ভুটানে। এরপর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতেও তীব্র সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। তদন্তে নামে রয়্যাল ভুটান পুলিশ। আটক করা হয় অভিজিৎ রতন হাজারেকে।


থিম্পুতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ভারতীয় বাইকারকে। জানা গেছে, লিখিত ক্ষমা চেয়েই মুক্তি পেয়েছেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা অভিজিৎ। 

ভুটান টুরিজিম কাউন্সিলের ডিরেক্টর জেনারেল জানান, ভারতীয় বাইক আরোহীদের সঙ্গে রেজিস্টার্ড গাইড ছিল না। তাই এমন বিপত্তি। নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, গাইড থাকা বা না থাকা বড় বিষয় নয়। প্রতিবেশী দেশের কোনও সৌধে কি এভাবে চড়া যায়। অভিজিৎ কি নিজের দেশেও এমনটা করতে পারতেন।

সূত্র : কোলকাতা২৪

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা