kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কাশ্মীর শুধু এক টুকরো জমি নয়, ভারতের মুকুট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাশ্মীর শুধু এক টুকরো জমি নয়, ভারতের মুকুট

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, কাশ্মীর শুধু এক টুকরো জমি নয়, ভারতের মুকুট। রবিবার এক ভাষণে এই মন্তব্য করে আগামী চার মাসের মধ্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনারও প্রতিশ্রুতি দেন মোদি।

এরমধ্যেই, সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে পাকিস্তানকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এদিকে, চীনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফরে কাশ্মীর ইস্যু না উঠায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

গেলো ৫ আগস্ট কাশ্মীরের স্বায়াত্তশাসন ও কাশ্মীরীদের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কোরে অবরুদ্ধ করা হয় উপত্যকার বাসিন্দাদের। শুরুতে সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেসসহ বিরোধীরা। সমালোচনার জবাবে রোববার এক ভাষণে, সাহস থাকলে সংবিধানে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার কথা নিজেদের নির্বাচনী ইশতিহারে ঘোষণার জন্য বিরোধীদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, কাশ্মীর এক টুকরো মাটি নয়, ভারতের মুকুট। বিরোধীরা যদি ওই ধারা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তবে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না। কারণ তা কেউই চায় না।

৩৭০ অনুচ্ছেদ ও ৩৫ এর এ ধারা বাতিলের পর পাকিস্তানও তীব্র সমালোচনা করে। পরমাণু যুদ্ধের হুমকির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মীরীদের অধিকার আদায়ে পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ অবস্থায়, কাশ্মীর ইস্যু ভুলে যাওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ওই ইস্যুতে নয়াদিল্লির ওপর কেউ চাপ তৈরি করতে পারবে না বলেও হুমকি দেন তিনি।

রাজনাথ সিং বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে কথা বলতেই পারেন, কিন্তু কোনো লাভ হবে না। বরং নিজ দেশের সন্ত্রাস দমনে মনোযোগী হোন। আমাদের সেনবাহিনীর সাহায্য চাইলে তাদেরকে প্রয়োজনে পাকিস্তানে পাঠাবো।

এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে চীন পাকিস্তানের সঙ্গে থাকার ঘোষণা দিলেও গেলো দু'দিনে ৬ ঘণ্টার বৈঠকে মোদি-শি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ বাড়িয়ে গোটা বিশ্বের জন্য তা আলোচ্য বিষয় কোরে তুলবেন না। দীর্ঘ বৈঠকে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছে দুদেশের গণমাধ্যম। আর তাই শি জিনপিংয়ের ভারত সফরে কাশ্মীর ইুস্যতে নিরব থাকাকে ইতিবাচক বলছে নয়াদিল্লি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা