kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হবে

মুসলমানদের কাছে পবিত্র মসজিদ হিসেবে পরিচিত জেরুজালেমের ‘আল-আকসা’তে শীঘ্রই ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দিবে ইসরায়েল। মুসলিম, খ্রিস্টান এবং ইহুদি এই তিন ধর্মের মানুষই আল-আকসাকে তাদের জন্য পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে গণ্য করে। মুসলিমদের প্রথম কিবলা ছিলো আল-আকসা।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য মিডল ইস্ট মনিটর দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী গিলাদ এরদান এর বরাত দিয়ে বলেন,‘আল-আকসা মসজিদে শীঘ্রই ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হবে।’

মন্ত্রী গিলাদ এরদান বলেন,‘আমি নিশ্চিত যে, এটা শীঘ্রই স্রষ্টার ইচ্ছায় ঘটবে। জেরুজালেমের পরিস্থিতি স্থানটির নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌম ক্ষমতা অর্জনের দিকে যাচ্ছে। আমরা যখন আমাদের লক্ষ্যে (ইহুদিদের জন্য আল-আকসার দরজা খোলা) পৌঁছাব, তখন টেম্পল মাউন্টে প্রবেশ করে তারা তাদের প্রার্থনা করতে পারবে। আমি আশা করছি, এটি শীঘ্রই ঘটবে।’

মুসলমানদের পাশাপাশি ‘আল-আকসা’ মসজিদটিও ইহুদিদের পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত। মুসলিমরা একে ‘আল হারাম আল শরিফ’ নামে ডেকে থাকেন। আর ইহুদিরা এ স্থানটিকে ডাকেন ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে।

১৯৬৭ সালে যখন ইসরায়েল ওই এলাকা দখল করে তখন শুধু মুসলিমরাই আল-আকসায় নামাজ পড়তে পারতো। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রার্থনার সুযোগ পেতেন ইহুদিরা।

ইহুদিদের প্রার্থনা সম্পর্কে ইসরায়েলের ওই মন্ত্রী বলেন,‘আমি আগাম বলতে পারি না যে, ঠিক কখন এটি ঘটবে। কারণ এটা আমাদের শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। আমি আশা করি এটা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ঘটবে। তবে তা এক দশকের বেশি নয়।’

আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার বিষয়ে আইনি কোন বাধা নেই। কিন্তু তা বাস্তবায়নে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সমর্থন থাকতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা