kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

তিন বালকের লাশ উদ্ধার; বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিন বালকের লাশ উদ্ধার; বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তান

বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কাসুর জেলা থেকে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, একজন বালককে হত্যার আগে বলাত্কার করা হয়েছে। অপর দুজনের মরদেহের পোর্ষ্টমর্টেম চলছে। 

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কাসুর জেলাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিশু অপহরণ, ধর্ষণ, খুনের ঘটনা বেড়ে গেছে। 
 
এই প্রদেশে ২০১৮ সালে ৬ বছর বয়সী জয়নব নামের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় সেখানে ব্যাপক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনা তদন্তে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় জনতার বিক্ষোভে পুলিশ গুলি ছুঁড়লে দুজন নিহত হন। 

এদিকে, বুধবার ওই বালকদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হলে চুনিয়ান এলাকায় সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে জনতা। তারা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করে।  

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, যৌন হেনস্তার পর খুন করা হয়েছে তিন জনকেই। গত জুন মাস থেকে এখন পর্যন্ত চারজন শিশুর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরও পুলিশ তাদের খুঁজে বের করতে তৎপর হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পুলিশি গাফিলতির অভিযোগে চুনিয়ানে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন প্রতিবাদকারীরা। চুনিয়ান থানা ঘেরাও করেন তাঁরা। চাপের মুখে তদন্তকারী দুই পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করেছেন পাঞ্জাবের পুলিশ প্রধান।

যে চারজন শিশুর নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, তাদের প্রত্যেকেরই বয়স আট থেকে ১২ বছরের মধ্যে। সাম্প্রতিক ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার। নিখোঁজ হয় আট বছর বয়সি ফৈজান। এর আগে ৩ জুন রানা শহর থেকে নিখোঁজ হয় ১২ বছরের মোহাম্মদ ইমরান। ৯ বছরের আলি হুসনাইন এবং আট বছরের সুলেমান নিখোঁজ হয় যথাক্রমে ৮ এবং ১৭ আগস্ট। মঙ্গলবার যে তিনটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, তার মধ্যে একটি ফৈজানের। বাকি দু'টি লাশ আলি এবং সুলেমানের বলে ধারণা পুলিশের। ইমরানের সম্পর্কে কোনও খোঁজ এখনও মেলেনি।

ফৈজানের জানাজায় লোকের ঢল নেমেছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবি, গলা টিপে মারা হয়েছে তাকে। কিন্তু তার আগে যৌন হেনস্তা এবং ভয়াবহ অত্যাচারের শিকার হয়েছে সে। 

পাঞ্জাবের পুলিশ প্রধান আরিফ নওয়াজ খান জানান, প্রতিটি ঘটনার তদন্তের জন্য পৃথক পৃথক দল গঠিত হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা না নিতে পারার অভিযোগে চুনিয়ানের ডিএসপি নইম ওয়ারাক এবং চুনিয়ানের স্টেশন হাউস অফিসার ইরফান গিলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি, এই সময় 

 

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা