kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

গত ৫ অগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করা হয়। এর মাধ্যমে কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা বাতিলের পর থেকেই সেখানকার পরিস্থিতি উত্তাল। আর তার আগে কয়েক হাজার বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয় কাশ্মীরে। রাজ্যের নানা প্রান্তে কারফিউ জারি করা হয়। এক কথায় পূর্বপরিকল্পানা অনুযায়ী কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন রদ করা হয়। এরপরই কাশ্মীরিরা স্বাধীনতার দাবিতে আন্দেলন শুরু করে।

কাশ্মীরিদের দাবিতে আনড় থাকলে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যটিকে অচল করে দেয়। মোবাইল, ল্যান্ডলাইন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। এছাড়াও বন্ধ হয়ে যায় স্কুল-কলেজেও। এমন পরিস্থিতিতে এর বিরুদ্ধে পিটিশন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার তার শুনানি হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়, জম্মু-কাশ্মীরে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনুন। একইসঙ্গে বলে, যা কিছু করণীয়, সবই করতে হবে জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখে। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির এক বেঞ্চ এদিন বলে, আমরা নির্দেশ দিচ্ছি, জম্মু-কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ধীরে ধীরে কড়াকড়ি বন্ধ করতে হবে।

তিন বিচারপতির বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি বাদে ছিলেন বিচারপতি এস এ বোবদে ও এস এ নজর। সরকারের পক্ষ থেকে শীর্ষ আদালতে বলা হয়, কড়াকড়ির সময় কাশ্মীরে কারো মৃত্যু হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে কাশ্মীরে যাতে বড় ধরনের বিক্ষোভ না হয়, সেজন্যি কড়াকড়ি করা জরুরি ছিলো।

শীর্ষ আদালতে আবেদনকারীদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। তিনি দু’বার কাশ্মীরে ঢুকতে চেষ্টা করেছিলেন। দু’বারই তাকে বিমান বন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা