kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

আমি আসামের সিলেটি বাঙালি ছিলাম; সেখানে মানুষ আজ বিপন্ন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমি আসামের সিলেটি বাঙালি ছিলাম; সেখানে মানুষ আজ বিপন্ন

বিভাস চক্রবর্তী

সম্প্রতি ভারতের আসাম রাজ্যে জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) চূড়ান্ত করা হয়েছে। আর এরপর থেকে আসামের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে।এনআরসির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। গত বছর জাতীয় নাগরিকপঞ্জি খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়ে ৪০ লক্ষ নাগরিক। সেই সময় প্রতিবাদে সারা ভারতের নানা শ্রেণির মানুষ। এনআরসি ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, আমি আসামের সিলেটি বাঙালি ছিলাম; সেখানে মানুষ আজ বিপন্ন। 

বিভাস চক্রবর্তী বলেন, আমি বহুদিন ধরেই আসামের 'বঙগাল-খেদা' এনআরসি -র বিরুদ্ধে কথা বলছি, লিখছি। আমি আসমের সিলেটি বাঙালি ছিলাম। ১৯৪৭ সালে আমরা পূর্ব পাকিস্তানি। স্বাধীনতা মানে আমাদের কাছে অভিশাপ। আমি আসামে জন্মেছি। আমার জন্মভূমির মানুষরা আজ বিপন্ন। এই অন্যায় কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

এদিকে, আসামের প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরাও জাতীয় নাগরিক পঞ্জির অজুহাতে বৈধ নাগরিকদের উত্‍খাত করাকে প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা বিরোধিতা করে বলেন, এ অন্যায় মেনে নেওয়া যায় না। 

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা। সেখানে বাদ পড়েছে ১৯ লাখেরও বেশি মানুষের নাম। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই ফের উত্তপ্ত আসাম। গুয়াহাটিতে আন্দোলনে শামিল হয়েছে নানা স্তরের মানুষ। 

আসাম বন্যা প্রবণ রাজ্য। প্রতি বছর বন্যায় সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। সেই দুর্যোগের দিনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাঁচানো সম্ভব হয় না কারোর পক্ষেই। অথচ নাগরিক পঞ্জির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারলেই নাম বাদ পড়ে বৈধ নাগরিকদের। ঘটনাকে অন্যায় বলেই মনে করেছে নানা মহল। আগামী দিনে এর সমাধান হবে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে আছে আসামের সাধারণ মানুষ।

সূত্র : ডেইলি হান্ট 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা