kalerkantho

রবিবার । ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ ফাল্গুন ১৪২৬। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে মৃত্যু হচ্ছে একজনের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতি ৪০ সেকেন্ডে মৃত্যু হচ্ছে একজনের

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে মৃত্যু হচ্ছে একজনের। এক বছরে মৃত্যুর সংখ্যাটা শুনলে আঁতকে উঠতে হয়– আট লাখ। বিশ্বের এমনই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি বলে দাবি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) প্রতিবেদনে। গত সোমবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোটা বিশ্বেই আত্মহত্যার প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। আর পদ্ধতি হিসেবে গলায় দড়ি, বিষ খাওয়া এবং নিজেকে গুলি করার প্রতি আত্মঘাতীদের প্রবণতা বেশি। 

এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেই বসে থাকেনি হু। বিশ্বের সব দেশের কাছেই এই আন্তর্জাতিক সংস্থার দাবি, অবিলম্বে আত্মহত্যা কমানোর জন্য পরিকল্পনা করা হোক। মানুষকে অবসাদ থেকে সরিয়ে জীবনকে ভালোবাসার দিকে নিয়ে যেতে হবে।

ওই রিপোর্ট অনেক ভয়ঙ্কর তথ্য মিলেছে। বলা হয়েছে, দিন দিন এই বিশ্বের অন্যতম বড় অসুখ হয়ে উঠছে আত্মহত্যার প্রবণতা। সব বয়সের, সব ধর্মের নারী, পুরুষের মধ্যে সমানভাবে প্রভাব ফেলছে এই অসুখ। আর যুব সমাজ যেন একটু বেশিই ভুগছে। ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়স্কদের মধ্যে দেখা গিয়েছে মৃত্যুর দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ হচ্ছে আত্মহত্যা। এক নম্বরে রয়েছে পথ দুর্ঘটনা। আর ১৫ থেকে ১৯ বছরের মেয়েদের ক্ষেত্রে সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুর পরেই রয়েছে আত্মহত্যা। টিন এজ ছেলেদের ক্ষেত্রে আত্মহত্যা তিন নম্বর কারণ। প্রথম দু’টি হল দুর্ঘটনা ও ব্যক্তিগত সংঘর্ষ।

সব মিলিয়ে বছরে আত্মহত্যায় মৃত্যু হয় আট লাখ মানুষের। হু বলেছে, ম্যালেরিয়া, ব্রেস্ট ক্যান্সার, যুদ্ধ, গণহত্যাতেও এত মৃত্যু হয় না এক বছরে। তবে একটা ভালোর দিক যে, মৃত্যুর হার সাম্প্রতিক কালে একটু হলেও কমেছে। তবে সব জায়গায় এক ছবি নয়। সার্বিকভাবে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত আত্মহত্যা কমার হার ছিল ৯.৮ শতাংশ। কিন্তু আমেরিকায় সেই সময়ে বেড়েছে ৬ শতাংশ হারে। উন্নত তথা ধনী দেশগুলিতে আত্মহত্যার হার অনেকটাই বেশি। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে। এটা মাঝারি ও স্বল্প আয়ের দেশে মোটামুটি সমান সমান।

আত্মহত্যা রোধ করা যে সম্ভব সেই তথ্যও দিয়েছে হু। ওই রিপোর্টেই উদাহরণ হিসেবে দেওয়‌া হয়েছে শ্রীলঙ্কার কথা। সেখানে কীটনাশকের উপরে নিষেধাজ্ঞা থাকায় আত্মহত্যা কমেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। ১৯৯৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৯৩ হাজার জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা