kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পদত্যাগ করলেন বরিস জনসনের ভাই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদত্যাগ করলেন বরিস জনসনের ভাই

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ছোট ভাই জো জনসন সাংসদ ও মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জো জনসন বলেছেন, পারিবারিক বিশ্বস্ততা এবং দেশের স্বার্থের টানাপড়েনে অসুবিধা হচ্ছিল। 

জো-এর ইস্তফা প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের রাজনৈতিক জীবনে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন ফেলে দিল। যাই ঘটুক না কেন, ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট করিয়ে ছাড়বেন, এই গোঁ ধরে রেখে বরিস এরই মধ্যে ২১ জন সাংসদকে বরখাস্ত করেছেন। হাউস অব কমন্সে প্রথমবারের ভোটেই মুখ পুড়িয়েছেন তিনি। তার পর ভাইয়ের সরে যাওয়া তাকে আরো চাপে ফেলবে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।

জো জনসন আজ টুইট করে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। তিনি লেখেন, গত নয় বছর ধরে ওরপিংটনের প্রতিনিধিত্ব করে নিজেকে খুবই গর্বিত মনে করছি। তিন জন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে মন্ত্রিত্ব সামলেছি। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে পারিবারিক বিশ্বস্ততা এবং জাতীয় স্বার্থের সংঘাতে আমি বিপর্যস্ত। যার সমাধান খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাই আমার পরিবর্তে অন্য কেউ মন্ত্রী ও এমপি হোক।

 জো অবশ্য প্রথম থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার বিপক্ষে ছিলেন। ২০১৬ সালের গণভোটে তার ভাই বরিস জনসন ছিলেন বিপরীত মেরুতে। জো অবশ্য গত বছরও থেরেসা মে-র মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ান তার ব্রেক্সিট চুক্তি পছন্দ না হওয়ার কারণে। কিন্তু বরিস প্রধানমন্ত্রী হয়ে আবারো তাকে মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

১০ ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একাধারে রাজনৈতিক নেতা এবং ভাই হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারছেন, জো-এর পক্ষে এটা খুব সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না। ওরপিংটনের মানুষ জানেন, জো-এর মতো যোগ্য প্রতিনিধি মেলা ভার।

এর মধ্যে ব্রেক্সিট নিয়ে জলঘোলা বেড়েই চলেছে ব্রিটেনের রাজনীতিতে। প্রধানমন্ত্রী বরিস বিরোধী নেতা জেরেমি করবিনের দিকে আঙুল তুলেছেন। ১৫ অক্টোবর সাধারণ নির্বাচনের ডাক দেওয়া সত্ত্বেও করবিন তাতে সাড়া দেননি, আর সেটাতেই চটেছেন বরিস। 

তার মতে, এটা গণতন্ত্রের প্রতি কাপুরুষোচিত অপমান ছাড়া আর কিছু নয়।বরিসের দল কনজারভেটিভ পার্টি আগামী সোমবার আবারো সাধারণ নির্বাচন চেয়ে বিল আনবে। করবিনের বক্তব্য, ব্রেক্সিট পিছিয়ে দিতে এর চেয়ে তারা যে বিল এনেছেন, তা পাশ হওয়ার পরেই নির্বাচনের জন্য আনা বিল নিয়ে ভাবনাচিন্তা করবেন তারা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা