kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিধানসভায় মারামারি, পরিস্থিতি সামলাতে ওয়েলে নামলেন মমতা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিধানসভায় মারামারি, পরিস্থিতি সামলাতে ওয়েলে নামলেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কাটমানি নিয়ে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে বিধায়ক প্রতিমা রজকের প্রশ্নে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে বিধানসভায়। রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিকে তেড়ে গেলেন কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ চট্টোপাধ্যায়। 

ধুন্ধুমার বিধানসভায় পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামতে হলো মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। বিধানসভার ইতিহাসে প্রথমবার ওয়েলে নেমে হাতাহাতি থামালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

অধিবেশন চলাকালীন উত্তরবঙ্গ পরিবহন সংস্থায় নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। টাকার বিনিময়ে এনবিএসটিসি-তে স্থায়ী সরকারি চাকরি মিলছে কিনা, সে ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন প্রতিমা রজক। বিধানসভায় দাঁড়িয়েই তিনি অভিযোগ করেন, টাকা নিয়ে চাকরিতে নিয়োগ চলছে। মিঠুন বলে একজন বিশাল অঙ্কের কাটমানির বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দিচ্ছেন বলে সরব হন তিনি। 

প্রতিমা রজকের ওই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। ওই মন্তব্যের জন্য প্রতিমা রজককে সতর্ক করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারকে অবমাননা করার অধিকার নেই বলে তাকে সতর্ক করা হয়।

কিন্তু, তার পরেও অশান্তি কমেনি। প্রতিমা রজকের মন্তব্যের পর বিধানসভায় দাঁড়িয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, তাকে প্রমাণ করতে হবে। না হলে বিধানসভার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

এরপরই বিধানসভায় কংগ্রেসের বেঞ্চের দিকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু অধিকারী আরো বলেন, পরের বার আর জিততে পারবেন না। সাফ হয়ে যাবেন। মুর্শিদাবাদ ফাঁকা করে দেব।

এরপর ঝামেলা বাড়লে ওয়েলে নেমে পড়েন কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশ চট্টোপাধ্য়ায়। শুভেন্দু অধিকারীর দিকে তেড়ে আসেন ভরতপুরের কংগ্রেস বিধায়ক। সেইসময় তার সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যান সুতির কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এরপর তৃণমূল বিধায়ক অমল আচার্যের সঙ্গে হাতাহাতি বেঁধে যায় কংগ্রেস বিধায়ক কমলেশের।

ওই পরিস্থিতিতে ওয়েলে নেমে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওয়েলে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেন তিনি। বিধানসভার ইতিহাসে এই প্রথমবার ঝামেলা সামলাতে ওয়েলে নামতে হল তাকে। দলীয় বিধায়কদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেন মমতা। গন্ডগোল শান্ত হওয়ার পর কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা