kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কাশ্মীরের দুই সুন্দরীকে বিয়ে করে বেকায়দায় বিহারের দুই যুবক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাশ্মীরের দুই সুন্দরীকে বিয়ে করে বেকায়দায় বিহারের দুই যুবক

ফাইল ছবি

ভারতের বিহার রাজ্যের দুই ভাই কাশ্মীরের একই পরিবারের দুই মেয়েকে বিয়ে করে চরম মাসুল গুনছেন। মেয়ে দুটির পরিবার বিয়ে মেনে না নিয়ে পুলিশে অভিযোগ করেন। বিয়ের পরে ২৫ দিনও কাটেনি, তাদের চারজনকেই আটক করা হয়।

বিহারের সুপৌলের রামবিসনপুর গ্রামের বাসিন্দা দুই ভাই মোহাম্মদ তবরেজ ও মোহাম্মদ পারওয়েজ চার বছর আগে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। সেখানকার রম্বন এলাকায় একই পরিবারের দুই বোনের প্রেমে পড়েন তারা। ৩৭০ ধারা রদ হওয়ায় তারা অবিলম্বে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তারা বিয়ের পরে গ্রামে ফিরে আসেন সস্ত্রীক। কিন্তু এই বিয়ে মেনে নেয়নি মেয়ে দুটির পরিবার। মেয়ে দুটির বাবা অপহরণের অভিযোগ নিয়ে কাশ্মীরের নাগমা বনিহল থানার পুলিশের দারস্থ হন। অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ।

কাশ্মীরের পুলিশের একটি দল সাব-ইন্সপেক্টর সমীরের নেতৃত্বে বুধবার রামবিসনপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন। পরে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাবরেজ ও পারওয়েজকে আটক করে। বুধবারই তাদের চারজনকে সুপৌলের আদালতে তোলা হয়। আদালতে দুই বোন জানান, তারা প্রাপ্তবয়স্ক। নিজ ইচ্ছেতেই তারা তাবরেজ ও পারওয়েজকে বিবাহ করেছে।

তবরেজ ও পারওয়েজের পরিবার জানায়, কাশ্মীরে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়ে তারা ওই দুই বোনের প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণেই এতদিন বিয়ে করতে পারেননি। ৩৭০ ধারা কেন্দ্র প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় তারা। তবরেজ ও পারওয়েজ বিশ্বাস করেন, অচিরেই তাদের জটিলতা দূর হয়ে যাবে।

সমীর জানান, ‘‘বিষয়টি এখন কোর্টের অধীনে। সমস্তটা শুনে আদালত পুলিশকে এই চারজনকেই ট্রানজিট রিমান্ডে কাশ্মির নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। কাশ্মিরের আদালত এই চারজনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।’’

সূত্র- আনন্দবাজার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা