kalerkantho

পশ্চিমবঙ্গে প্রজনন কেন্দ্র থেকে ছাড়া হচ্ছে শকুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পশ্চিমবঙ্গে প্রজনন কেন্দ্র থেকে ছাড়া হচ্ছে শকুন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে ছয়টি শকুন ছাড়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শকুনগুলো কীভাবে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়, সেটা দেখার জন্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। 

জানা গেছে, পাখিগুলোর গায়ে লাগানো হবে ‘‌স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার’‌‌। যার মাধ্যমে এগুলোর ওপর নজর রাখা হবে। উত্তরবঙ্গের রাজাভাতখাওয়াতে ২০০৩ সালে ‘‌ভালচার কনজারভেশন অ্যান্ড ব্রিডিং সেন্টার’‌ তৈরি করা হলেও চলতি বছরই প্রথম সেখানে বড় হওয়া শকুন মুক্ত পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। 

এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান মুখ্য বনপাল (‌বন্যপ্রাণ)‌ রবিকান্ত সিন্‌হা বলেন, ২০০৬ সাল থেকে এখানে প্রজনন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। প্রথমে যখন শুরু করা হয়, তখন এই কেন্দ্রে ছিল দুটি শকুন। সেগুলো উদ্ধারের পর ‌এখানে আনা হয়েছিল। বর্তমানে এখানে শকুনের সংখ্যা ১০৩টি। যে শকুনগুলো ছাড়া হবে, সেগুলো এই কেন্দ্রেই ডিম ফুটে বের হওয়ার পর বড় করা হয়েছে। বাঘের গলায় যেমন রেডিও কলার পরিয়ে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখা হয়, তেমনি এই পাখিগুলোকেও স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে। 

যদি দেখা যায়, শকুনগুলো এক জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে আছে, তাহলে বোঝা যাবে সেগুলো কোনো সমস্যায় পড়েছে। উদ্ধারে বা অন্য প্রয়োজনে বনদপ্তরের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে যাবেন। তাদের চলাফেরা নিয়ে যে তথ্যগুলি জানতে পারা যাবে, সেগুলো আগামী দিনে কাজে লাগবে বলেও জানানো হয়।
 ‌
এদিকে ভারতে শকুনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পাখিগুলো রোগে বা অন্যান্য কারণে খুব তাড়াতাড়ি কমতে শুরু করেছে। আগে ভাগাড়ে শকুন পশুর মরদেহ খাওয়ার দৃশ্য ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন আর তা দেখা যায় না বললেই চলে। ‌পরিস্থিতি বিচার করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৯৮ সালে ঠিক করা হয় শকুন প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা