kalerkantho

তৃণমূল কর্মীর জমিতে বিজেপি'র পতাকা, অতঃপর...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৪:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তৃণমূল কর্মীর জমিতে বিজেপি'র পতাকা, অতঃপর...

তৃণমূলের জমিতে উড়ছে বিজেপির পতাকা, ছবি: আজকাল

পশ্চিমবঙ্গে এক তৃণমূল কর্মীর চাষের জমিতে বিজেপি'র পতাকা পুঁতে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল খানাকুলের নতিবপুর ‌২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের বলপাই এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। তবে বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যেতেই বিজেপি কর্মীরা চাপে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সেই পতাকা তারাই তুলে নিয়ে চলে যায়।

এ ঘটনায় বিজেপি'র তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল। নতিবপুর ‌২ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল উপপ্রধান নুর আলম বলেন, ‌বলপাই মৌজায় বিঘা দুই জমি আছে। ওই জমির মালিক আমার শ্বশুরবাড়ির সদস্য। শ্বশুর মারা যাওয়ায় তার ছেলে শেখ ইকবাল হোসেনসহ অন্য ছেলেমেয়েরা এখন ওই জমির শরিক। ওই জমিতে তরা দীর্ঘদিন ধরেই চাষাবাদ করে আসছিলেন। তাদের নামেই জমির দলিল, পর্চা সব আছে। মাঝে কিছুদিন আতাউল হক নামে এক গরিব ব্যক্তিকে চাষ করতে দেওয়া হয়েছিল। 

তিনি জানান, আতাউল হক তখন সিপিএম করতেন। ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান। গত ৮–‌৯ বছর আমার শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই ওই জমিতে চাষ করে আসছিলেন। কিছুদিন আগে ওই আতাউল হক এলাকায় ফিরে বিজেপিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় বিজেপি নেতা হিসেবে নিজের পরিচয় দেন এবং ওই জমি নিজের বলে দাবি করতে শুরু করেছেন।‌

উপপ্রধান নুর আলম আরো বলেন, ‌শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ওই জমিতে ধান রোপণ করলে আতাউল হক বাধা দেন। এই ঘটনায় বাধ্য হয়ে আমার শ্যালক ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার আরামবাগ মহকুমা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।‌ 

জানা গেছে, আদালত ওই জায়গায় আপাতত ১৪৪ ধারা জারি করেছে। পাশাপাশি বিএলআরও এবং পুলিশকে বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ, আদালতের নির্দেশের পরেও বৃহস্পতিবার সকালে আতাউল হক ওই জমিতে বিজেপি'র পতাকা পুঁতে দেন। উপপ্রধান বিষয়টি খানাকুল থানায় জানান। 
আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। চাপে পড়ে বিজেপি নেতারা আতাউলের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নেন। কাজের সঙ্গে তারা জড়িত নন বলে জানিয়ে দেন। এর পরই পুলিশ আসার খবর পেয়ে আতাউল হকের লোকেরা জমি থেকে বিজেপি'র পতাকা তুলে নিয়ে চলে যায়।

সূত্র: আজকাল
 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা