kalerkantho

ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মার্কিন এমপির

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মার্কিন এমপির

পশ্চিম তীর সফরে ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব। তালিব বলেছেন, ইসরায়েল সরকার তার সফরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও একবার অপদস্থ করার পর আর ওই দমনমূলক পরিস্থিতিতে নিজ পরিবারকে দেখতে পশ্চিম তীর যাবেন না তিনি। খবর ফ্রান্স২৪ ও বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের মিশিগান ডেমোক্রেট প্রতিনিধি তালিব ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, প্রতিশোধপরায়ণ ও সহিংস নীতির সমালোচনা করে আসছেন। আরেক ডেমোক্রেট কংগ্রেস সদস্য মিনেসোটার প্রতিনিধি ইহান ওমরকে সঙ্গে নিয়ে ইসরায়েলে আনুষ্ঠানিক সফরের পরিকল্পনা ছিলো তার।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, দুই মার্কিন কংগ্রেস সদস্যকে সফরের অনুমতি দেয়া হবে না। তবে শুক্রবার মানবিক দিক বিবেচনা করে পরিবারকে দেখতে তালিবকে পশ্চিম তীর সফরের অনুমতি দেয় ইসরায়েল।

এরপরই এক টুইটে তালিব বলেন, নির্বাচনে জয়ের পর আমি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আশার আলো জাগাতে পেরেছিলাম যে, কেউ তাদের সঙ্গে চলা অমানবিক বিষয়গুলো নিয়ে সত্যটা বলবে। আমি ইসরায়েলকে কখনো আমাকে অপদস্থ করে, আমার ভালবাসার সুযোগ নিয়ে তাদের নির্যাতনও বর্ণবাদী নীতিকে আড়াল করার সুযোগ দেব না।

এই সময় তিনি পশ্চিম তীরে বসবাস করা তার দাদীকে স্মরণ করে বলেন, ‘এই নির্যাতন ও দমনমূলক পরিস্থিতিতে দাদীকে দেখতে যাওয়া হবে বর্ণবাদ, নিপীড়ন ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমার বিশ্বাসের বিপরীতে অবস্থান নেয়া। এটি আমার আমিকে হত্যা করবে।’ 

তালিব এবং ইলহান ওমর লিমা ফিলিস্তিন-পন্থী বিডিএস মুভমেন্টের প্রকাশ্য সমর্থক। যারা পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও নীতির কঠোর বিরোধীতা করে আসছেন। ইসরায়েলি আইনে বিডিএস এর সমর্থকরা তাদের দেশে প্রবেশ করতে পারবে না।

এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেন,  তালিবের অনুরোধে মানবিক দিক বিবেচনা করে ইসরায়েল তাকে সফরের অনুমতি দিয়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই সফরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো প্রচারণা চালাবেন না।’

এর আগে বৃহস্পতিবার এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘তালিব ও ওমরকে সফরের অনুমতি দেয়া হবে ইসরায়েলের দুর্বলতা। তারা ইসরায়েল ও সব ইহুদিদের ঘৃণা করে। ’

রাশিদা তালিব ও ইহান ওমর প্রথম দুই মুসলিম নারী হিসেবে কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তারা দুজনেই দলের উদীয়মান সদস্য ও ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের নীতির কঠোর সমালোচক। তালিব প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান কংগ্রেস সদস্য ও ওমর সোমালিয়ান বংশোদ্ভুত প্রথম মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা