kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বানের জলে খেলনার মতো ভেসে গেল গোটা শহর!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বানের জলে খেলনার মতো ভেসে গেল গোটা শহর!

ভারতের কেরেলা রাজ্যের নীলাম্বুর জেলার পাথার শহরটির ঘড়বাড়ি ভেসে গেছে হঠাৎ করে আসা ঝরনার পানির বানে। পুরো শহর ধুয়েমুছে গেছে। পড়ে আছে কয়েকটি পাথরের বোল্ডার। দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটি গাছ। নেই শুধু মানুষ আর তাদের ঘড়বাড়ি। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। 

বৃহস্পতিবারই পাথার থেকে চার কিলোমিটার দূরে কাভালাপ্পারা শহরে বৃষ্টিতে ধস নামে। ৪০ টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। ৬০ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। ধস নামার শব্দ শোনা গিয়েছিল পাথারেও। সেখানকার বাসিন্দারা শব্দ শুনে আগেভাগে সতর্ক হয়ে যান। বাড়ি ও দোকান ছেড়ে আশ্রয় নেন নিরাপদ জায়গায়। ইতিমধ্যে শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ঝরনাতেও জল বাড়ছিল।

কয়েকটি বাড়ি, দু’-চারটি দোকান, একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র ও একটি ধর্মস্থান নিয়ে গড়ে ওঠে পাথার নামের শহরটি। পাথার থেকে কিছু দূরে অবস্থিত মারিয়া সেডান কনভেন্ট। সেখানকার বাসিন্দা রোজ ম্যাথিউ বলেন, প্রবল বৃষ্টির পরে ঝরনায় পানি বাড়ছিল। বিকাল ৫টা নাগাদ আমাদের কনভেন্ট বিল্ডিং কাঁপতে থাকে। আমাদের সাইকো সোশ্যাল রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে ১৩ জন বাসিন্দা আছেন। আমরা সবাই দেখতে গেলাম, ঝরনার কী অবস্থা। আমরা বেরিয়ে দেখি, সাংঘাতিক অবস্থা। ঝরনার পানি ফুলেফেঁপে ওঠেছে। আমরা ভাবছিলাম শহরে আশ্রয় নেব। কিন্তু ঝরনার পানি আমাদের কনভেন্টের খানিকটা অংশ ভাসিয়ে নিয়ে গেল। ওদিকে দেখি, শহরেরও আর অস্তিত্ব নেই।

রোজ ম্যাথিউ বলেন, ঝরনার পানির বান যদি রাতে আসত তাহলে ক্ষয়ক্ষতি আরো বেশি হতো। বানে অন্তত ২৫টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরো কয়েকশ বাড়ি।

স্থানীয় ভিস জোনস আব্রাহাম নামে এক স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার পাহাড়ে আটটি ধস নেমেছিল। তার ফলে ঝরনার পানি ফুলেফেঁপে ওঠে। ১০ হেক্টর কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা