kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

যৌন নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন নিউইয়র্কের চার নারী সাংসদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৬:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যৌন নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন নিউইয়র্কের চার নারী সাংসদ

চারপাশে আজকাল যা ঘটে তা খুবই ভীতিকর। শিশুদের বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে চলেছে কিছু বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ। প্রতিনিয়তই শিশুরা ধর্ষণ, ধর্ষণ চেষ্টা ও যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলারও ঘটনা ঘটছে প্রায়ই। তাই এ ভীতিকর পরিস্থিতিতে মানুষকে সচেতন করতে এবং সবাই এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে চারজন আইনপ্রণেতা। শিশুকালে যৌন নির্যাতনে শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে একটি ভিডিওতে তারা এ আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি ভিডিওতে শিশুকালের ও শৈশবকালের যৌন নির্যাতনের কথা জানান তারা। সেই সঙ্গে শিশু নির্যাতন বন্ধে অন্যদেরকেও এগিয়ে আসতে উত্সাহিত করেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়ার্কের টাইমস স্কোয়ারে ওই ভিডিওটি উন্মোচন করা হয়। একটি বড় টেলিভিশনের পর্দায় ভিডিওটিতে তাদের গল্প প্রদর্শন করা হয়। এ সময় স্কোয়ারে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়েছিলেন।

ভিডিওতে নারী সাংসদ ক্যাটালিনা ক্রুজ (ডি-কুইনস) জানান, আমি বছরের পর বছর ধরে অপরাধবোধের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় আমি চিন্তা করি, এর জন্য আমার কিছু করা দরকার। 

এসময় ক্যাটালিনা ক্রুজের পাশেই বসে ছিলেন রাজ্য সিনেটর আলেসান্দ্রা বিয়াগি (ডি ব্রোঙ্কস), সাংসদ রোডিনিস বিকোত্তে (ডি ব্রুকলিন) এবং সাংসদ যুহ লাইন নিউ (ডি-ম্যানহাটন)।

আলেসান্দ্রা বিয়াগি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, শিশুকালে আমার সঙ্গে যা হয়েছে তা না বলেই আমি মারা যেতে চলছি। তার বিচার না পেয়েই হয়তো আমি মারা যাব। ‍কিন্তু না। এভাবে নির্যাতনের কথা সাধরণ মানুষের সামনে তুলে ধরা নীরবতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এই জনসচেতনতামূলক প্রচারণার কার্যক্রমটি শুরু করেছে সেফ হরিজন নামের একটি অলাভজন প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি নির্যাতনে শিকার শিশুদের জন্য কাজ করে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভায় একটি আইন পাস হয়েছে। ওই আইনটি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত হয় এবং আজ থেকে কার্যকর করা হয়। নিউইয়র্কের শিশু নির্যাতনের শিকার হাজার হাজার মানুষ আজ বুধবার থেকে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে বিচার পাওয়ার সুযোগ পাবে এ আইনের ফলে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিশু নির্যাতনের হার রীতিমত আতকে ওঠার মতো। বিশ্বের আর যে কোনো শিল্প সমৃদ্ধ দেশের তুলনায় এখানে দ্বিগুণ শিশু নির্যাতনের স্বীকার হয়। প্রতি চার জন মেয়ের মধ্যে একজন মেয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় ১৮ বছর হওয়া আগেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা