kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

সীমান্তে বাড়তি সেনা ও ট্যাংক মোতায়েন পাকিস্তানের, বাড়ছে যুদ্ধেরও আতঙ্ক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সীমান্তে বাড়তি সেনা ও ট্যাংক মোতায়েন পাকিস্তানের, বাড়ছে যুদ্ধেরও আতঙ্ক

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে উত্তাল ভারত-পাকিস্তান। দু’দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আর এই সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়িয়ে দিয়ে অতিরিক্ত সেনার পাশাপাশি ভারী যুদ্ধাস্ত্রবাহী বিমান ও কপ্টারে করে সীমান্তে ট্যাংক মোতায়েন করছে পাকিস্তান। যুদ্ধের আশঙ্কা উসকে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করছে ইমরান খানের দেশ। লাদাখ লাগোয়া স্কারদু বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে চীন নির্মিত জেএফ-১৭ ফাইটার জেট পাঠাচ্ছে পাকিস্তানি সেনারা।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, কাশ্মীরের লাদাখ সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের সেনঘাঁটিগুলোতে সক্রিয়তা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গিয়েছে। গত শনিবার থেকেই স্কারদু বিমানঘাঁটিতে একাধিকবার অবতরণ করেছে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর সি-১৩০ পণ্য পরিবহণকারী বিমান। ভারতের সঙ্গে ‘ফরওয়ার্ড বেস’গুলোতে যুদ্ধের জন্য রসদ মজুত করছে পাকিস্তানি সেনারা। ওই ঘাঁটিগুলো থেকে বড়সড় বিমান হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গতিবিধি বাড়লেও চিন্তার কিছু নেই। তাদের গতিবিধি ভারতীয় রাডারে স্পষ্ট ধরা পড়ছে। পাকিস্তান সমস্যা সৃষ্টি করলে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে।

এদিকে ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে ভারতে জঙ্গি হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির গোয়েন্দারা। এর মধ্যে শনিবার রাত থেকে কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান সরকার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ প্রচুর সেনা পাঠাচ্ছে। গতকাল রবিবার টুইট করে এ দাবি করলেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক হামিদ মীর। তার দাবি, ‘‘কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান সরকার সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে বলে খবর দিয়েছেন তার কাশ্মীরি বন্ধুরা। গতকাল রাত থেকেই প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও কামান নিয়ে পাকিস্তানের সেনাকর্মীরা কাশ্মীর সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন। আর তাদের দেখে পাকিস্তানের পতাকা নাড়িয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে স্থানীয় কাশ্মীরিরা। মুখে স্লোগান দিচ্ছে, ‘কাশ্মীর বন গ্যায়া পাকিস্তান’।’’ 

এই টুইটের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ভারতের পক্ষ থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। বাড়ানো হয়েছে সেনা জওয়ানদের সংখ্যাও।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা