kalerkantho

রবিবার। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ৩ ভাদ্র ১৪২৬। ১৬ জিলহজ ১৪৪০

ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিপ্লবী মুহাম্মদ বাজি ১০৩ বছর বয়সে মারা গেলেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুলাই, ২০১৯ ১৫:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিপ্লবী মুহাম্মদ বাজি ১০৩ বছর বয়সে মারা গেলেন

ভারতের উড়িষ্যার কোরাপুত জেলার গান্ধীবাদী ও ১৯৪২ সালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিল্পবী বীরযোদ্ধা মুহাম্মদ বাজি একশ তিন বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। বৃহস্পতিবার উড়িষ্যার নবরংপুরের সুন্নায় নিজের বাড়িতেই তিনি মারা যান। 

এর আগে ২০১৭ সালে তার শততম জন্মদিন পালন করা হয়। কয়েক বছর ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন।

জানা গেছে, ১৯১৭ সালের ২০ জানুয়ারি মুুহাম্মদ বাজি উড়িষ্যায় জন্মগ্রহণ করেন। বাজি ছিলেন বেসামরিক অধিকার আন্দোলনের কর্মী লক্ষ্মণ নায়েকের সহকারী। ১৯৪২ সালে তিনি ভারত ছাড়ো আন্দোলনের শীর্ষ নেতা ছিলেন।

২১ ভাইবোনের মধ্যে ২০ তম সন্তান ছিলেন তিনি। রাজ্জাকৃষ্ণ বিশ্বাসভারের মতো বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন বাজি। সাদাশীব ত্রিপথী জয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার পর বিল্পবী ও যোদ্ধা হিসেবে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। পরে মহাত্মা গান্ধীর কাজের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।

গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবীদের সংগ্রামের জন‍্য সংগঠিত করার কাজ করতেন। ১৯৪০ সালে সাবর্মতী আশ্রমের গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনে অংশ নেন তিনি। সাবরমতি থেকে ফিরে আসার পর তিনি শহরে একই আন্দোলন শুরু করার পর নবরংপুর কারাগারে ছিলেন।

বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার পর ও ২০০৮ সালে কান্ধালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য বাবার সঙ্গে নববঙ্গপুরে তিনি চলে যান।

উড়িষ‍্যার বিজেপির সাধারণ সম্পাদকভৃগু বক্ষিপত্রা এক টুইট বার্তায় বলেন, স্বাধীনতা যোদ্ধা বাজির মৃত্যুতে নবরংপুর জেলায় দুঃখের ছায়া ঘনিয়ে এসেছে। বাজির মৃত্যুর সাথে সাথে অবসান হলো নবরংপুরের একটি সোনালি যুগের। উড়িষ্যার মানুষ, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলীয় দক্ষিণাংশে, স্বাধীনতা সংগ্রামে তার প্রচেষ্টার জন্য গর্বিত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমার দেবতুল‍্য বাবার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বাজির। আমার মনে আছে ২০০১ সালে তিনি আমার বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠিত প্রথম হরিশচন্দ্র বক্ষিপত্র স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা