kalerkantho

রবিবার। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ৩ ভাদ্র ১৪২৬। ১৬ জিলহজ ১৪৪০

কলকাতায় প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর 'বিয়ে' দিলেন স্বামী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুলাই, ২০১৯ ১০:৩৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কলকাতায় প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর 'বিয়ে' দিলেন স্বামী

প্রতীকী ছবি

দীর্ঘ দিন ধরেই তার স্ত্রীর সঙ্গে এক যুবকের সম্পর্ক রয়েছে, সে কথা জানতেন কলকাতার এক অটোচালক। জানতেন তার পাড়ার লোকজনও। তিনি বাড়ি না থাকলে পেশায় পুলিশকর্মী ওই যুবক যে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেন, তা-ও জানতেন সকলে। বৃহস্পতিবার ওই পুলিশকর্মী তাদের বাড়ি গিয়েছিলেন। তা দেখতে পেয়ে পাড়ার লোকজন ওই বাড়ির দরজায় বাইরে থেকে শিকল তুলে দেন। তার পরে খবর দেওয়া হয় ওই গৃহবধূর স্বামীকে। তিনি গিয়ে ওই পুলিশকর্মীর সঙ্গে নিজের স্ত্রীর ‘বিয়ে’ দিয়ে দেন। ওই পুলিশকর্মী তার স্ত্রীকে শাঁখা, সিঁদুর পরিয়ে দেন সকলের সামনে। যদিও এই ‘বিয়ে’ আইনসম্মত নয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে ফেসবুকের মাধ্যমে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার ডিটল এলাকার ওই গৃহবধূর সঙ্গে পরিচয় হয় স্থানীয় থানায় কর্মরত ওই পুলিশকর্মীর। ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। তারপর  ওই পুলিশকর্মী মাঝে মধ্যেই অটোচালকের অনুপস্থিতিতে তার বাড়িতে যেতেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। এ দিন দুপুরেও অটোচালক বাড়িতে ছিলেন না। ওই পুলিশকর্মী মোটরবাইক নিয়ে তাদের বাড়ি যান। এলাকার মানুষ তার পরেই বাড়ি ঘিরে ফেলেছেন। তারা অটোচালক যুবককে খবর দেন। তিনি ফেরার পরে দরজা খোলার পরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা। 

সে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বংশীহারি থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশ ওই যুগলকে নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়। এর পরই গৃহবধূর স্বামী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমিকের ‘বিয়ে’ দেন। পুলিশের গাড়িতেই ‘বিয়ে’ হয় প্রেমিক যুগলের। প্রথমে রাজি না থাকলেও পরে গৃহবধূকে শাখা সিঁদুর পরিয়ে দেন প্রেমিক পুলিশ।

এরপর দুজনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। গৃহবধূর দুই ছেলে রয়েছে। তার স্বামী জানান, স্ত্রীর পায়ে ব্যথা। তাই ওষুধ দিয়ে অটো নিয়ে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎ তার দাদা ফোন করে তাকে বাড়িতে আসতে বলেন। কারো কিছু হয়েছে ভেবে তড়িঘড়ি বাড়ি আসেন তিনি। এসে দেখেন ঘরে তালা। পরিবারের লোকের কাছে জানতে পারেন, তার অবর্তমানে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন ওই পুলিশকর্মী। 

এলাকার বাসিন্দা দীপন চক্রবর্তী বলেন, এলাকারই এক বধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বংশীহারি থানার এক পুলিশকর্মীর। এলাকার লোক তাতে রেগে গিয়েছিলেন। 

স্থানীয় মহকুমা পুলিশ অফিসার বিপুল বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা