kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারকে 'আটকের চেষ্টা' ইরানের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জুলাই, ২০১৯ ১৬:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকারকে 'আটকের চেষ্টা' ইরানের

পারস্য উপসাগরে ব্রিটিশ তেলবাহী ট্যাংকার

ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন,পারস্য উপসাগরে একটি ব্রিটিশ তেলবাহী ট্যাংকারকে আটকে দেয়ার চেষ্টা করেছে কয়েকটি ইরানী নৌকা। তবে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভি'র জাহাজের তাড়া খেয়ে তারা পিছু হটেছে। 

ওই মুখপাত্র জানিয়েছেন, এইচএমএস মন্ট্রোস নামের জাহাজটি তিনটি ইরানী নৌকা এবং তেলের ট্যাংকার 'ব্রিটিশ হেরিটেজ'এর মধ্যে অবস্থান নেয়ার আগে ইরানী নৌযানগুলোকে মৌখিকভাবে সতর্কও করে।

ইরানের এ ধরণের কার্যক্রম 'আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী' বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

ব্রিটিশ সরকারের মুখপাত্র মন্তব্য করেছেন, তেলের ট্যাংকার আটকানোর চেষ্টার এই কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী। আমরা এই বিষয়ে চিন্তিত এবং ঐ অঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি।

এদিকে, ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকার আটক করার প্রচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। তাদের একটি ট্যাংকার আটক করার ঘটনার প্রতিশোধ নেয়ার বিষয়ে আগে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছে তারা।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বলছে, তাদের ধারণা, ব্রিটিশ হেরিটেজ ট্যাঙ্কারটি পারস্য উপসাগর ছেড়ে হরমুজ প্রণালীর দিকে যাওয়ার সময় ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডের কয়েকটি নৌকা সেটির দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

গত সপ্তাহে ব্রিটিশ রয়্যাল ম্যারিন জিব্রাল্টারের কর্তৃপক্ষকে একটি ইরানী তেলের ট্যাংকার আটক করতে সহায়তা করে। কারণ তাদের কাছে প্রমাণ ছিল, সেটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে সিরিয়ার দিকে যাচ্ছিল।

সে সময় এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় একজন ইরানী কর্মকর্তা বলেছিলেন, ওই ইরানী জাহাজ না ছাড়লে প্রতিশোধ হিসেবে একটি ব্রিটিশ জাহাজ আটক করা উচিত।

এ বিষয়ে অভিযোগ জানানো জন্য তেহরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকেও ডেকে পাঠায় ইরান। তারা বলেছে, এটি 'এক ধরণের দস্যুবৃত্তি'।

ব্রিটিশ রয়্যাল নেভি গত সপ্তাহে ইরানের একটি তেলের ট্যাংকার আটক করে

এই দ্বন্দ্ব এমন একটি সময়ে দেখা দিল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ইরানের সাথে যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সম্পর্কও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।

জুন মাসে দু'টি তেলের ট্যাংকারে হামলা হয়। ওই ঘটনায় 'প্রায় নিশ্চিতভাবে' ইরান জড়িত বলে 
মন্তব্য করে যুক্তরাজ্য। এরপর দু'দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা