kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে গায়েব করে দিলো নিউজিল্যান্ড!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জুন, ২০১৯ ১৯:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে গায়েব করে দিলো নিউজিল্যান্ড!

নিউ জিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইট ‘ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড’ মধ্যপ্রাচ্যের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিলো সম্প্রতি। যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না। কিন্তু ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের মানচিত্র ছিলো। যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল সমালোচনার মুখে এরইমধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে ওয়েব পেজটি। ইসরায়েল না থাকলেও ‌ওই মানচিত্রে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিল।

ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ড হলো নিউ জিল্যান্ডের বাণিজ্য, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা। সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ, ট্রাভেল ভিসা ইস্যু করা ও নিউ জিল্যান্ডে অভিবাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার কাজগুলো করে থাকে এটি। সংস্থাটির নিউ জিল্যান্ড ইমিগ্রেশন নামে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ডে একটি ফ্যাক্ট শিট প্রকাশিত হয়। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের একটি মানচিত্রও প্রকাশ হয়, যেখানে ইসরায়েল অস্তিত্বহীন। ফ্যাক্ট শিটে নিউ জিল্যান্ডে থাকা ফিলিস্তিনি অভিবাসীদের তথ্য দেওয়া হয়। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী উল্লেখ করা হয় সেখানে। ওই ওয়েব পেজটিতে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরায়েল আরোপিত অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গও টানা হলেও এর বিস্তারিত ছিল না। ফ্যাক্ট শিটে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালিয়েছে ইসরায়েল।

মানচিত্রটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে নিউ জিল্যান্ডের ইসরায়েল ইন্সটিটিউটের পরিচালক অ্যাশলে চার্চ তার বিবৃতিতে বলেন, ‘খুব সম্প্রতি পুরোপুরি আধুনিক ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে সুস্পষ্টভাবে ভুল করা হয়েছে। এটি অবিশ্বাস্যরকমের আক্রমণাত্মক ঘটনা। এটি নিউ জিল্যান্ড ইমিগ্রেশনে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসকে বাদ দিয়ে যুক্তরাজ্যের মানচিত্র প্রদর্শন এবং ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জকে সম্পূর্ণরূপে ইংল্যান্ড হিসেবে উল্লেখ করার শামিল।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমাদের অভিবাসন মন্ত্রীর উচিত অবিলম্বে আক্রমণাত্মক ওই ছবির জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং এর মধ্য দিয়ে যে সরকারের নীতিমালা প্রভাবিত হচ্ছে না তা নিশ্চিত করা। ওয়েবসাইটটি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে না, এমনটা নিশ্চিত করে ইমিগ্রেশন নিউ জিল্যান্ডকে বিবৃতি দিতে হবে। এ ঘটনায় কে বা কারা দায়ী তা খুঁজে বের করতে তদন্ত করতে হবে এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

উল্লেখ্য, ওই ওয়েব পেজটি এরইমধ্যে মুছে ফেলা হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর স্ক্রিন শট ছড়িয়ে পড়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা