kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

দুবাইয়ে স্কুলবাসে আটকা পড়ে ভারতীয় শিশুর মৃত্যু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুন, ২০১৯ ২২:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুবাইয়ে স্কুলবাসে আটকা পড়ে ভারতীয় শিশুর মৃত্যু

সহপাঠীদের সবাই স্কুলবাস থেকে নেমে গেলেও কোনো কারণে নামতে পারেনি ছয় বছর বয়সী মোহাম্মদ ফারহান। বিষয়টি খেয়াল করেননি বাসচালকও। কয়েক ঘণ্টা পর বাসের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় শিশুটিকে।

শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ঘটেছে হৃদয় বিদারক ঘটনাটি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিশু ফারহান আল কুওজ একটি ইসলামিক সেন্টারে আরবি পড়তে যেত।

পুলিশ বলছে, তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট ফারহান। এবছর সে ইসলামিক সেন্টারটিতে ভর্তি হয়েছিল। শনিবার সকাল ৮টার সময় বাসের অন্য শিক্ষার্থীরা নেমে গেলেও থেকে যায় ফারহান। বিকেল ৩টার দিকে চালক শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বাসে উঠলে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।
 
স্কুলছাত্রের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অত্যন্ত গরমের জেরে শিশুটির মৃত্যু হতে পারে।

গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। গতকাল শনিবার দুবাইয়ে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গরমের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কিনা সেটা তদন্ত শেষে জানা যাবে। 

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে দুবাইয়ের ইসলামিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্কুলবাসে শিক্ষার্থী আটকা পড়ার ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে আবুধাবির একটি স্কুলের কেজি ওয়ানের এক ছাত্রী বাসে আটকা পড়ে দম বন্ধ হয়ে মারা যায়। এ ঘটনায় স্কুলের প্রিন্সিপাল, বাসচালক ও সুপারভাইজারের কারাদণ্ডের পাশপাপাশি নিহত শিশুর পরিবারকে এক লাখ দিরহাম পরিশোধের আদেশ দেন আদালত।

এ ঘটনার পর, সেখানকার সব স্কুলবাসে সিসি ক্যামেরা ও সেন্সর লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়, যেন বাসের ইঞ্জিন বন্ধের পরও কেউ ভেতরে থেকে গেছে কিনা, তা বোঝা যায়।

গত বছর, দেশটিতে কেজি ওয়ানের আরেক শিক্ষার্থী বাসে আটকা পড়েছিল। সৌভাগ্যবশত সে বেঁচে গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা