kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

নিউজিল্যান্ডের আকাশে নরক দেখল মানুষ!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুন, ২০১৯ ১৩:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিউজিল্যান্ডের আকাশে নরক দেখল মানুষ!

হুড অ্যারোড্রোমের এক কিলোমিটারের মধ্যেই ঘটনা ঘটেছে

আকাশে দুটো বিমানের সংঘর্ষ ঘটল। নিউজিল্যান্ডের এক বিমানঘাঁটির কাছাকাছি এ দুর্ঘটনায় দুই বিমানচালকই নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার সকালে নর্থ আইল্যান্ডের ওয়েলিংটনের ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের আকাশে এ ঘটনার শিকার হয় বিমান দুটি। 

ধারণা করা হচ্ছে, মাটি থেকে ৯০ মিটার ওপরে সংঘর্ষ হয়েছে এবং মাটিতে পড়ার আগেই বিধ্বস্ত অবস্থায় আগুন লাগে দুই বিমানে। মাস্টারটনের হুড অ্যারোড্রোম থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বিমানের ধ্বংসাবশেষ মাটিতে পড়ে। সেখানে ইমার্জেন্সি সার্ভিসেসকে পাঠানো হয়। 

একটি বিমান প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। অপর বিমানটি চারজন স্কাইডাইভারদের নামানো শেষে ওই ঘাঁটিতে ফিরছিল। 

ওয়াইরারাপা অ্যারো ক্লাবের মাইকেল ও'ডনেল তাদের ক্লাবের এক সদস্যের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমাদের ক্লাব শোকে স্তব্ধ। আমরা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছি। এমন আবহাওয়ায় এ ঘটনা আমরা কোনভাবেই আশা করিনি। রবিবার সকালের আবহাওয়া একেবারে পরিষ্কার ছিল, ঝকঝকে রৌদ্র ছিল।  

স্থানীয়দের অনেকেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। তারা আকাশ থেকে প্রচুর পরিমাণে বিমানের ধ্বংসাবশেষ পড়তে দেখেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দ শোনা গেছে। এরপর বিমান দুটির দুমড়ে মুচড়ে যাওয়ার দেহ মাটিতে পড়তে থাকে। 

প্রত্যক্ষদর্শী গ্রাহাম পিয়ার্স বলেন, নারকীয় শব্দের পর বিমানের বিভিন্ন অংশ ঘুরতে ঘুরতে মাটিতে পড়তে থাকে। তিনি তার মেয়েকে নিয়ে আশপাশেই ঘুরছিলেন। 

জানা গেছে, অন্য বিমানটি স্কাইডাইভ ওয়েলিংটনের মালিকানাধীন। এটা হুড অ্যারোড্রোমের বাইরে থেকে পরিচালনা করা হতো। 

পিয়ার্সের কন্যা ক্যারোলিন প্লেফোর্ড জানান, আমি যা দেখেছি তা হলো- দুটো বিমান সংঘর্ষের পর তাদের দেহ আবর্জনার মতো নিচে নেমে আসছে। 

অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা মাটিতে পড়া দুই বিমানের আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু দুজন পাইলটকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে আজ বিকেলেই নিয়ে যাওয়া হবে। অপর পাইলটকে আরো কিছু তদন্তকার্য সম্পন্ন করে তবেই নেয়া হবে। 

দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানায়, আগামীকাল সোমবার তারা ওই স্থানে একটি তদন্তদল পাঠাবে এবং এই সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধান করা হবে। 

ওয়েলিংটনের মালিকানাধীন বিমানঘাঁটি ইমার্জেন্সি সার্ভিসেসকে সহায়তা করে যাচ্ছে। 

মাস্টারটনের মেয়র লিন প্যাটারসন জানান, হুড অ্যারোড্রোমের আশপাশ বেশ ঘন বসতিপূর্ণ। এ ঘটনা স্পষ্টভাবে তাদের বেশ নাড়া দিয়েছে। 
সূত্র: ডেইলি মেইল 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা