kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

বিয়ের আংটি কে ফেলে গেল?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মে, ২০১৯ ১৭:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিয়ের আংটি কে ফেলে গেল?

এই সেই বিয়ের আংটি

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের এক নারী শপিং মলের বাথরুমে একটি বিয়ের একটি আংটি পেয়েছেন। তিনি এই আংটির মালিককে খুঁজে পেতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়েছেন। 

জানা গেছে, ২৪ বছর বয়সী ওই নারীর নাম শাইয়েন গ্রোবলার। তিনি এক বন্ধুকে নিয়ে সপ্তাহান্তে মোবাইল ফোন আপগ্রেড করতে শপিং মলটিতে গিয়েছিলেন। 

তিনি বলছেন, তখন ছিল বেলা ১ টা। সে সময় বাথরুমে গিয়ে আমি টয়লেট পেপার হোল্ডারের উপরে একটি আংটি দেখতে পাই। আমি আংটিটি নিয়ে দ্রুত এর মালিককে খুঁজে পেতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করি। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না। 

তিনি বলেন, আমি এরপর তথ্যডেস্কে গিয়ে জিজ্ঞাসা করি, তারা আংটির মালিকের বিষয়ে কিছু জানে কি-না।  কিন্তু এ বিষয়ে কেউ কিছু জানাতে পারেনি।  

এরপর গ্রোবলার আংটির মালিককে খুঁজে পেতে সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি ঘোষণা দেন, তিনি একটি আংটি খুঁজে পেয়েছেন। এটার মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে চান তিনি।  কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি।

তিনি বলেন, আংটির মালিকানা দাবি করে এক দম্পতি আমার সাথে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু তাদের বর্ণনানুযায়ী আমার কাছে থাকা আংটির সাদৃশ্য মেলেনি।  

জানা গেছে, ফেসবুকে গ্রোবলারের পোস্টটি কয়েক হাজারবার শেয়ার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আংটিটির একটি খুব ছোট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা কেবল প্রকৃত মালিকেরই জানা রয়েছে। 

আংটিটির প্রকৃত মালিকের অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছিন তিনি। 

গ্রোবলার বলেন, আংটিটির মালিক একজন আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারী (বিদেশী) হতে পারেন। কারণ স্যান্ডটন এলাকায় অনেক বিদেশী রয়েছে। 

এদিকে, নেলসন ম্যান্ডেলা স্কয়ারের লস্ট এন্ড ফাউন্ড ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার ডগলাস মাবেনা জানিয়েছেন, একজন ইউরোপীয় নাগরিক হারিয়ে যাওয়া একটি আংটির খোঁজে মলটিতে রিপোর্ট করেছেন। 

তিনি জানান, ওই ইউরোপীয় নাগরিক বলছেন, তিনি ১৪ তারিখে তার আংটি হারিয়েছেন। কিন্তু গ্রোবলার আংটিটি পেয়েছেন ২৪ তারিখে। তাই ইউরোপীয় নারীটি আংটিটির প্রকৃত মালিক কি-না তা আমরা নিশ্চিত নই। 

এদিকে গ্রোবলার জানান, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই পোস্ট দেওয়ার পর একজন মন্তব্য করেন, তিনি যদি আংটির মালিককে খুঁজে না পান তবে যেন সেটি তার কাছে বিক্রি করে দেন। 

এর জবাবে ওই মন্তব্যকারীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমার বাবামা আমাকে এভাবে বড় করে তুলেনি। 

তিনি বলেন, কারো-কারো কাছে এটি হয়তো শুধুমাত্র একটি আংটি। কিন্তু মালিকের কাছে বিয়ের আংটিটির আবেদন এরচেয়েও বেশি হতে পারে। আংটিটির হয়তো তার কাছে ভাবাবেগীয় মূল্য রয়েছে। 

ওই আংটির মালিককে খুঁজে পেতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গ্রোবলার ও তার বন্ধুরা। 

সূত্র : সানডে ওয়ার্ল্ড 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা