kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

১৩ বছরের বালকের মূত্রাশয় থেকে ২৯ ধাতব বল উদ্ধার চীনে, বিস্মিত ডাক্তাররা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ মে, ২০১৯ ১৫:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৩ বছরের বালকের মূত্রাশয় থেকে ২৯ ধাতব বল উদ্ধার চীনে, বিস্মিত ডাক্তাররা

চীনা শিশুর মূত্রাশয় থেকে এই ২৯ বল অপসারণ করা হয়

সম্প্রতি একটি চীনা শিশুর মূত্রাশয় থেকে ২৯ চুম্বকীয় বল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। তিন মাস আগে শিশুটি তার লিঙ্গ দিয়ে বলগুলো প্রবেশ করায় বলে জানা গেছে। 

১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্রটির নাম লী। ছেলেটি পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করছিল। কিন্তু সে তার বাবা-মায়ের কাছে এ বিষয়টি জানাতে বিব্রত বোধ করছিল।

এক্সরেতে ধরা পড়া শিশুটির মূত্রাশয়ে ধাতব বল 

ঘটনার পর থেকে ছেলটি খুব কষ্ট পাচ্ছিল। এক পর্যায়ে সে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হয়। গত ১১ মে তাকে উত্তর পশ্চিম চীনের জিয়াং চিলড্রেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। 

এক্স-রেতে দেখা গেছে, চৌম্বকীয় পদার্থগুলো তার মূত্রাশয়ে দাঁনা বেঁধেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে তার অস্ত্রোপচার করানো বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়। 

ইউরোলজিস্ট ঝাং ইয়ানানান জানান, ছেলেটি তিন মাস আগে চৌম্বকীয় বলগুলো নিয়ে খেলছিল। তখন সে বলগুলো কৌতুহলবশত মূত্রনালীর (ইউরেথ্রা)ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। 

তিনি বলেন, ছেলেটি এরপর থেকে অস্বস্তি বোধ করছিল। সে বলগুলো বের করার চেষ্টা করেছিল। চুম্বকগুলো আলাদা হয়ে গিয়ে কিছু অংশ মূত্রনালীর ভিতরে রয়ে গিয়েছিল। 

ঝাং ইয়ানানান জানান, ভীষন অস্বস্তিবোধ করায় ছেলেটি তার বাবামাকে বিষয়টি জানাতে পারছিল না। অথচ সে তিন মাস ধরে পেটে ভীষণ ব্যথা অনুভব করছিল। 

তিনি বলেন, সে ভেবেছিল প্রশ্রাবের মাধ্যমে সেগুলো বের করে দিতে পারবে। কিন্তু এটা জানতো না যে, সেটা সম্ভব নয়। তিন মাস পরে তার বাবামা  দেখতে পেল যে সে খুঁড়িয়ে চলছে। এরপরেই তারা বিষয়টি জানতে পারে। 

ঝাং বলেন, মাইক্রো সার্জারির মাধ্যমে আমরা সেগুলো সরিয়ে ফেলতে ব্যর্থ হই। এ কারণে  আমরা তার মূত্রাশয় খুলে ফেলি। এরপর ২৯ টি চৌম্বকীয় বল বের করে আনি।  

তিনি জানান, অস্ত্রোপচারের পর ছেলেটি এখন ধীরে-ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সে এখন বাসায় অবস্থান করছে। 

ঝাং বলেন, শিশুরা বয়ঃসন্ধিকালে তাদের শরীর সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠে। এ সময় বাবামার কাছ থেকে তাদের সঠিক পরামর্শ ও শিক্ষা পাওয়া জরুরী হয়ে দাঁড়ায়। 

সূত্র : দ্য মিরর

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা