kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

শিশুর বিছানার নিচ থেকে বিশালাকৃতির গুইসাপ উদ্ধার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মে, ২০১৯ ১৪:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিশুর বিছানার নিচ থেকে বিশালাকৃতির গুইসাপ উদ্ধার

গুঁইসাপ উদ্ধারের এই মুহূর্তটি ভিডিতে ধরা পড়েছে

এক শিশুর বিছানার নীচ থেকে একটি বৃহদায়তনের গোয়ানা প্রজাতির গুঁইসাপ উদ্ধার করা হয়েছে। গুঁইসাপ উদ্ধারের এই মুহূর্তটি ভিডিতে ধরা পড়েছে।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে এমনটাই ঘটেছে। 

ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, স্টুয়ার্ট ম্যাকেঞ্জে নামের একজন সাপুড়ে (স্ন্যাক ক্যাচার) এক দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের টিকিটিকি প্রজাতির সরিসৃপটি (গুঁইসাপ) ধরে আছে।

বৃহদায়তনের গুঁইসাপটি সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেলে ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। 

কুইন্সল্যান্ডের বাড়িটির পেছনে দিকে অবস্থিত মুরগির খোয়ারে ঢোকার চেষ্টা করে সরিসৃপটি। বাচ্চাটির মা একে ভয় দেখিয়ে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি খোলা দরজা দিয়ে তার ঘরে ঢুকে পড়ে। 

ভিডিওতে দেখা গেছে, বাচ্চাটির মাকে ম্যাকেঞ্জি জিজ্ঞেস করছেন, এটার (গুঁইসাপ) একটা বড় চর্বিযুক্ত পেট আছে। আপনার ছোট মুরগী ​​খেয়ে এটা হয়েছি নাকি? 

জবাবে বচ্চাটির মা বললেন, মুরগির বাচ্চা পেতে চেষ্টা করেছি কিন্তু আমাদের সব ডিম প্রতিদিন বাজারে বিক্রি হয়ে যায়। 

গোয়ানা প্রজাতির এই সরিসৃপটি কেবল কামড় দিতে পারে না এটা তাদের লেজ দিয়ে চাবকাতেও পারে। এটা বিশাল থাবা দিয়ে খামচিও মারতে পারে।  

ভিডিও দৃশ্যে ধরা পড়া সরিসৃপটি মাঝারি আকারের কিন্তু এটা ২ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে।

এরা পোকামাকড়, ছোট টিকটিকি, সাপ, স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি ও ডিম শিকার করে থাকে। 

গোয়ানা প্রজাতির গুঁইসাপ সাধারণত মানুষকে দেখে ভয় পায়। ছোঁয়া মাত্রই এরা দূরে পালিয়ে যায়। 

তবে কিছু প্রজাতি আছে যারা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। এগুলো বিশেষত পিকনিক স্পট এবং বারবিকিউ এলাকার কাছাকাছি বসবাস করে। 

অস্ট্রেলিয়ার ২৫টি প্রজাতি গোয়ানা প্রজাতির গুঁইসাপ রয়েছে। আর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাঁচটি প্রজাতির গুঁইসাপ রয়েছে।

সূত্র : ডেইলি মেইল 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা