kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

ভয়ঙ্কর দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে কানাডার আলবার্টায়, সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মে, ২০১৯ ১৩:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভয়ঙ্কর দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে কানাডার আলবার্টায়, সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের

ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে কানাডার পশ্চিম প্রদেশ আলবার্টার বিভিন্ন এলাকায়। ওই প্রদেশের পাঁচ হাজার বাসিন্দাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সোমবার বিকেলে তাদেরকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়।

এদিকে, আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে যাচ্চে সেদেশের অগ্নিনির্বাপক দল। আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এয়ার ট্যাঙ্কার ও হেলিকপ্টার। দেশটির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আলবার্টার দাবানল নিয়ন্ত্রক দলের কর্মকর্তারা মনে করছেন, সেখানকার চরম শুষ্ক অবস্থা এবং তীব্র বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশে।

গত রবিবার কর্মকর্তারা বলেছিলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা আর্দ্রতা মাত্রার সমান অথবা তার চেয়ে বেশি হবে। বয়ে যাবে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া। বনাঞ্চলে চরম শুষ্কতা বিরাজ করবে বলেও উল্লেখ করেছিলেন তাঁরা।

এরপর গতকাল সোমবার কর্মকর্তারা বলেন, দাবানল এক লক্ষ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে।

অগ্নিকাণ্ডের ওপর বিভিন্ন ফুটেজ ও ছবিতে দেখা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে নির্বাপক দলের সদস্যরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। বাতাসের তীব্র গতির কারণে আগুন কুণ্ডলী পাকিয়ে ওপরের দিকে উঠে ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। এরই মধ্যে পুড়ে গেছে চার শ মিলিয়ন বর্গমিটার এলাকা।

শহরের উচ্চ পর্যায় থেকে সোমবার অধিবাসীদের প্রতি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাদেরকে গ্যাস ট্যাংক ভরে রাখার কথা বলা হয়েছে। সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিরাপদ সংরক্ষণ এবং খাবার ও পানীয় প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলেন, 'আমরা এই মুহূর্তে প্রচণ্ড শুষ্কতার মধ্যে আছি। একদিকে প্রচণ্ড দাবদাহ, অন্যদিকে, আর্দ্রতা একেবারে নিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। বৃষ্টিরও দেখা নেই। একইসঙ্গে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া অগ্নিনির্বাপক দলের সদস্যদেরকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে দুই শ'রও বেশি অগ্নিনির্বাপক দলের সদস্য, পাঁচটি এয়ার ট্যাঙ্কার এবং ১৮টি হেলিকপ্টার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

সূত্র : ডেইলি মেইল 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা