kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

নির্বাচনী প্রচারে হাজির এবার ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মে, ২০১৯ ২২:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচনী প্রচারে হাজির এবার ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’!

ভারতে লোকসভা নির্বচানে প্রচারের একদম শেষ দিনে আবারও বিতর্কে জড়ালেন যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা। নিজের প্রচারে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ‘হাজির' করলেন তিনি। 

দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের মনীষীদের চরিত্রে অভিনয় করে আসছেন কৃষ্ণ বৈরাগী। তাঁকেই নিজের প্রচারে নিয়ে আসেন অনুপম। 

সাজসজ্জা একেবারেই বিদ্যাসাগরের মতো করেছিলেন কৃষ্ণ। তাঁর হাতে বইও ছিল। গতকাল রাতে বৈরাগীকে ফোন করেন অনুপম এবং বিদ্যাসাগর হওয়ার প্রস্তাব দেন। এক কথায় রাজি হয়ে যান তিনি। সব মিলিয়ে দেড়শ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছেন কিন্তু তাঁর কাছে বিদ্যাসাগর হতে পারার ‘মূল্য' অনেক বেশি বলে জানালেন সাংবাদিকদের। বললেন, ‘একটা সময় মনের আনন্দে মনের মতো করে সাথীরে এটাই আমার পেশা হয়ে গেল এখন এই করেই আমার সংসার চলে’।

তবে এই বিদ্যাসাগর ‘হওয়া’ নিয়ে বিজেপির দুই প্রার্থীর মধ্যে জোর টক্কর দেখা গেল। বৈরাগী নিজেই জানালেন তাঁকে নাকি আটকে রেখেছিলেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র বসু সমর্থকরা। দীর্ঘক্ষণ ঘরের মধ্যে আটকা পড়েছিলেন তিনি। পরে অনুপম তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

এর আগে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরার হয়ে প্রচার করেন দ্য গ্রেট খালি। এবার এ নিয়ে  নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার শাসক শিবিরের দাবি খালি আমেরিকার নাগরিক। তাই তিনি প্রচার করতে পারেন না। দিন কয়েক আগে  কলকাতায় আসেন দ্য গ্রেট  খালি।

বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরার হয়ে প্রচার করেন তিনি। তাঁকে পাশে নিয়েই হুড খোলা গাড়িতে চড়ে মনোনয়ন জমা দিতে যান অনুপম। নিজের ফেসবুকে আগেই খালির আসার কথা জানিয়েছেন  তিনি।  মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় ফেসবুকে লাইভও করেন বিজেপি প্রার্থী।

সেখানে হাজির হয়ে খালি বলেন, ‘অনুপম আমার ভাইয়ের মতো। আজ মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছে। হোয়াটস অ্যাপ এ কথা জানতে পেরেই আমি এখানে আসার সিদ্ধান্ত নিলাম। অনুপম আপনাদের অসুবিধা বুঝতে পারবেন এবং তা  মিটিয়ে দিতে পারবেন আর তাই আপনারা  তাকেই ভরসা করুন’। এবার   কৃষ্ণ বৈরাগীকে বিদ্যাসাগর সাজানোয় ফের বিজেপির বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ মমতার তৃণমূল কংগ্রেস।

মন্তব্য