kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

‘ইরানে হামলার জন্যই ইরাক থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মে, ২০১৯ ২১:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ইরানে হামলার জন্যই ইরাক থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’

ইরানের সঙ্গে টান টান উত্তেজনার মধ্যে ইরাক থেকে নিজেদের নাগরিকদেরকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বেসামরিক কিংবা জরুরি নয় এমন কর্মীদের, বাগদাদ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

যদিও পেন্টাগন বলছে, ইরানের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর পরিণতি সম্পর্কে হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান দলীয় সিনেটররা। এদিকে পরমাণু চুক্তি রক্ষা রাশিয়ার একার কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর জার্মানি বলেছে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি গ্রহণ করেছে তা সমর্থন করে না ইউরোপ।

মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান- উভয় দলীয় সংসদ সদস্যরা ইরানের সঙ্গে যেকোন ধরণের যুদ্ধের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন। এ বিষয়ে আরো গবেষণা এবং তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান তারা।
 
মার্কিন সিনেটর বব মেন্ডেজ বলেন, আমরা চাই না একটি সংঘাতের সৃষ্টি হোক। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের একটি পথ বের করা উচিত। আমার বিশ্বাস এটা সম্ভব। কারণ ইরানও এটি চাইছে না। তাই উভয় দেশের মঙ্গলের জন্যই একটা সুন্দর সমাধান দরকার।

এরমধ্যেই বর্তমান সঙ্কটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া চাইলেই বর্তমান সঙ্কট সমাধান সম্ভব নয়। সঙ্কট উত্তোরণে সব পক্ষকে কার্যকারী ভূমিকা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে যাওয়া স্বত্ত্বেও, ইরানকে পরমাণু চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
 
ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হোক, এটাই আমরা চাই। কিন্তু আমরা চাইলেই, যা কিছু করতে পারি না। এর জন্য অন্য পক্ষগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামগ্রিক বিষয় এখন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং ইরানের ওপর নির্ভর করছে।

রাশিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করছে জার্মানিও। পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাই জার্মানিসহ ইউরোপ কোনো অবস্থাতেই সমর্থন করবে না।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আল থানি, গোপনে ইরান সফর করেছেন বলে খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। 

মন্তব্য