kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

পশ্চিমবঙ্গে অশান্ত পরিবেশে লোকসভার ভোট গ্রহণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ২১:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পশ্চিমবঙ্গে অশান্ত পরিবেশে লোকসভার ভোট গ্রহণ

সাংবাদিককে গাছে বেঁধে পেটানো, ক্যামেরাম্যানকে গাছের ডাল দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, গাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি এবং পুলিশের টিয়ারসেল নিক্ষেপের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ পর্বের ভোট গ্রহণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভারতের ১১টি রাজ্যে একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলসহ মোট ৯৫ আসনের ভোট গ্রহণ হয়। ১৫ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২৩ জন ভোটার আজ ১ হাজার ৫৯৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন।

এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রায়গঞ্জ, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং আসনের ভোট গ্রহণও হয়।  সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে অশান্তিও। 

সময় সংবাদের স্থানীয় সূত্র গুলো জানিয়েছে, প্রথমে রায়গঞ্জের আক্রান্ত হন কলকাতার একটি টেলিভিশন চ্যানেলের দুজন সাংবাদিক। পার্থ প্রতীম নামে এক সাংবাদিককে দশ থেকে পনেরো জন সন্ত্রাসী ঘিরে ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পেটায় এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন ওই একই টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিকও।

এই ঘটনা সকাল থেকে আলোড়নে ফেলে দিয়েছিলো রাজ্য জুড়ে। ঠিক তখনই আরেকটি বড় ঘটনা ঘটে দার্জিলিংয়ের চোপড়ায়। সেখানে একদল মানুষ রাজ্যের শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে দেশটির ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। প্রায় দেড় ঘন্টা পর সেখানে সংবাদমাধ্যম পৌঁছাতেই উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তৃণমূল কংগ্রেসের ‘সন্ত্রাসী’রা তাদের ভোট লুট করে এবং ভোট কেন্দ্রে মারধর করা হয় বেশ কয়েকজন ভোটারকেও।

পরে সেখানে পৌঁছায় পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক। তাদের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। তখনই শুরু হয় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংষর্ঘ। প্রত্যক্ষদর্শী গণমাধ্যমকর্মীরা দাবি করেছেন, সেখানে পুলিশ ফাঁকা গুলি চালিয়েছে। আর গুলির জবাব দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা পাল্টা বোমাবাজি করে। সেখানে প্রায় এক ঘন্টা ধরে তুমুল লাঠিচার্জ হয়। সারাদিন সেখানে থমথমে পরিবেশ ছিলো।

এই ঘটনায় বেশ কয়েজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত সাংবাদিকদের ভর্তি করা হয়েছে হাসাপতালে।

মন্তব্য