kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

ঋণের ভারে ধুঁকতে থাকা জেট এয়ারওয়েজকে টাকা দিতে চান ঋণখেলাপি মাল্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০১৯ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঋণের ভারে ধুঁকতে থাকা জেট এয়ারওয়েজকে টাকা দিতে চান ঋণখেলাপি মাল্য

যার ওপর ৯ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতির মামলা রয়েছে, সেই বিজয় মাল্য ঋণের ভারে ধুঁকতে থাকা সংস্থা জেট এয়ারওয়েজকে বাঁচানোর উপায় বাতলে দিয়েছেন! মঙ্গলবার সকালে টুইট করে নিজের সম্পত্তি দিয়ে জেট এয়ারওয়েজকে সাহায্য করার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

ওই টুইটের পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শোরগোল পড়ে গেছে। অনেকেই তার টুইটে বিদ্রুপ করে লিখেছেন, এই জন্যই আপনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।

সোমবার জেট এয়ারওয়েজকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আরো একটা সুযোগ দিয়েছে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর গোষ্ঠী। এই শর্তে সোমবারই স্টেট ব্যাংক জানিয়েছে, ১৫০০ কোটি টাকা জেটকে নতুন করে ধার দেবে ঋণদাতারা। 

তা ছাড়াও ব্যাংকের কাছে যে বিশাল অঙ্কের ঋণ বকেয়া রয়েছে, সেই টাকা জেটকে শোধ করতে হবে না। সেই টাকার সমমূল্যের শেয়ার ১ টাকার বিনিময়ে ব্যাংক হাতে নেবে। এসবিআই এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকই জেট এয়ারওয়েজকে বাড়তি ঋণ দেবে বলে জানিয়েছে। ওই দিনই আবার নিজের বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন সস্ত্রীক নরেশ গয়াল।

জেটের এই পরিস্থিতি নিয়েই মঙ্গলবার সকালে মাল্যর টুইট। তাতে জেট এয়ারওয়েজের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি মাল্য আক্ষেপ করে বলেন, তার সংস্থার পাশে যদি একই ভাবে ব্যাংক দাঁড়াত তাহলে কিংফিশারের এই দশা হত না। দু’টি প্রায় একই ঘটনায় সরকারের দু’রকম ভূমিকা পালন করেছে বলে তার অভিযোগ।

মাল্য বলেন, পাবলিক সেক্টর ব্যাংকগুলো জেট এয়ারওয়েজের এতগুলো চাকরি বাঁচিয়েছে, এটা খুবই খুশির বিষয়। এটাই যদি কিংফিশারের সঙ্গে ঘটত তাহলে এই দিনটা দেখতে হত না।

মাল্য আরো বলেন, আমি আবারো বলছি, ব্যাংক আমার সম্পত্তি নিয়ে নিতে পারে। এই সম্পত্তি জেট এয়ারওয়েজকে ঘুরে দাঁড়ানোর কাজে লাগতে পারে।

এর আগেও মাল্য দাবি করেছেন, তিনি ঋণ পরিশোধ করতে আগ্রহী। টাকা ফেরতের প্রস্তাব তিনি কর্ণাটক হাইকোর্টে দিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাংকগুলো সেই টাকা গ্রহণ করতে চাইছে না।

কিংফিশারকে বাঁচাতে বিভিন্ন পাবলিক সেক্টর ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন মাল্য। কিন্তু সেই টাকা শোধ করার পরিবর্তে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে মাল্য লন্ডনে রয়েছেন। সেখানে তার বিলাসবহুল জীবনযাপন বারবারই সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা