kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

শীর্ষ নেতার স্ত্রীর ব্যাগে সোনা, তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শীর্ষ নেতার স্ত্রীর ব্যাগে সোনা, তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি!

লোকসভা নির্বাচনের মধ্যেই সোনা আটকের হওয়ার একটি খবরে সরগরম পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় দুই কেজি ওজনের সোনা উদ্ধার করা হয়েছে- এমন একটি খবর গত কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যম, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।  

বিষয়টি এই জায়গায় পৌঁছায় যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রবিবার ( ২৪ মার্চ) সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। এমন কি তিনি চ্যালেঞ্জ করেছেন, তার স্ত্রীর ব্যাগ থেকে দুই কেজি তো দুই গ্রাম সোনাও উদ্ধার করেনি কাস্টমস কর্তারা। উল্টো অভিষেক অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকেই লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো এবং রাজ্য যুব তৃণমূলের সভাপতি, বিদায়ী সাংসদও এবং কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীও।

এদিকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছে বিরোধী দল গুলোও। বিজেপির শীর্ষ নেতা মুকুল রায় গোটা ঘটনা ভয়ঙ্কর বলে মন্তব্য করেন। আরেক শীর্ষ বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী বিষয়টি সিবিআই তদন্ত করে জানানোর দাবি জানান।

শুধু বিজেপি নয়, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসও এই ঘটনায় গভীর রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, ‘কি করে সাংসদ অভিষেকের স্ত্রী থাইল্যান্ডের পাসপোর্ট পাওয়া গেলো এবং দুই কেজির সোনাই বা তিনি আনলেন কেন। আর তাকে যখন ধরা হলো তখন রাজ্য পুলিশ তাকে ছাড়াতে এতো উদ্যোগী হলো কেন।’

বামফ্রন্ট নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ যদি বিমান বন্দরে আটক হতাম তবে কি রাজ্য পুলিশের এতো তৎপরতা দেখা যেতো। কেন রাজ্য পুলিশ ওই গভীর রাতে সোনা আটক হওয়ার খবর শুনেই ওই মহিলাকে উদ্ধার করতে ছুটতো। গোটা ঘটনার রহস্য সন্ধানের দাবি জানান ওই বাম নেতা।’

স্থানীয় গণমাধ্যম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি, গত ১৬ মে থ্যাইল্যান্ড থেকে ফিরছিলেন তার স্ত্রী। তিনি জন্মগতভাবে থাইল্যান্ডের পাসপোর্ট ধারণ করেন। অভিষেক বলেন, ‘তার ব্যাগ থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। তা স্বত্বেও কেন একজন মহিলাকে এইভাবে হেনস্থা করা হলো, কারণ সে আমার স্ত্রী।' এটা বিজেপির চক্রান্ত বলে দাবি করে অভিষেক বলেন, 'যদি কাস্টম কর্তাদের এতোই সাহস থাকে তবে অবশ্যই তারা যেন সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেন। তবে বুঝবো তারা সঠিক।’

কাস্টমস কর্মকর্তারা অবশ্য এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হচ্ছেন না। তবে রাজনৈতিক দল গুলোর দাবি, এই ঘটনার সাতদিন পর একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। সেটি এখনও মামলায় রেকর্ড হয়েছে কিনা সেটা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা