kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

এবার নেতারা এসে বড় বড় কথা বলবেন, বলছেন নিহত জওয়ানের মেয়ে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৬:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার নেতারা এসে বড় বড় কথা বলবেন, বলছেন নিহত জওয়ানের মেয়ে

ভারতের জম্মু-কাশ্মিরের পুলওয়ামাতে নৃশংস সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হয়েছেন রাজস্থানের গোবিন্দপুরা গ্রামের বাসিন্দা রোহিতাশ লাম্বা। গত সপ্তাহেই নিজের দুই মাসের পুত্রের জন্মের পরের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নিজের গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। 

শহিদ রোহিতাশের বাবা বাবুলাল পেশায় কৃষক। তার বাড়িতে আছে আরেক ছোট ভাই। ২০১৩ সালে সিআরপিএফে যোগ দেন তিনি। রোহিতাশের মৃত্যুর খবর যেতেই শোকে স্তব্ধ তার পুরো গ্রাম। 

অন্যদিকে ধৌলপুরের বাসিন্দা ভাগীরথেরও মৃত্যু হয়েছে কাশ্মিরের ওই সন্ত্রাসবাদী হামলায়। এক ছেলে এবং এক মেয়ের বাবা ভাগীরথ ১৭ জানুয়ারি নিজের গ্রাম জেতপুরে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। 

বছর চারেক আগেই বিয়ে করেন ভাগীরথ। কোটার বাসিন্দা হেমরাজ মিনাও সন্ত্রাসবাদী হামলায় নিহত হয়েছেন। ২০০১ সালে হেমরাজ সিআরপিএফে ভর্তি হন। 

তার মৃতু নিয়ে প্রচুর ক্ষোভ রয়েছে তার পরিবার পরিজনদের মধ্যে। সকলেই বলছেন, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে এই সন্ত্রাসবাদ ইচ্ছাকৃতভাবেই জিইয়ে রাখা হয়েছে। 

তাদের দাবি, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করে, সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করুক ভারত সরকার। হেমরাজের বছর ছয়েকের ছেলে ঋষভও বাবার মতোই বড় হয়ে পুলিশ বা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায়। 

কিন্তু বড় হয়েছেন তার মেয়ে রীনা। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা রাজনীতির লড়াই খানিক বুঝতে পারেন তিনি। দেশের রাজনীতিবিদদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার মেয়ে। 

রীনা বলছেন, এখন সব নেতা ও দায়িত্বশীল লোকরা আসবেন এবং বড় বড় কথা বলবেন, কিন্তু সন্ত্রাসবাদকে সমূলে উৎপাটন করতে কোনো পদক্ষেপই নেবেন না।

তবে নিহত হেমরাজের বাবা একেবারেই ভিন্ন ধরনের মনোভাব পোষণ করেন। হেমরাজ একা মারা গেছেন ঠিকই, কিন্তু বাবাকে হারিয়ে প্রায় অনাথ হয়েছে তার চার সন্তান। বাড়িতে চার ভাইয়ের মধ্যে হেমরাজই ছিলেন দ্বিতীয়। চাষবাসের কাজ করেই জীবন চালায় এই পরিবার। বীর জওয়ানের বাবা বলেন, ভারতমাতার সেবায় আরেক পুত্রকেও উৎসর্গ করতে রাজি আছি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা