kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

১০ হাজার টাকার জন্য প্রেমের বিয়ের মর্মান্তিক পরিণতি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৭:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১০ হাজার টাকার জন্য প্রেমের বিয়ের মর্মান্তিক পরিণতি!

ছবি : সংগৃহীত

প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন দুজন। সন্তানদের সুখের কথা চিন্তা করে এই বিয়েতে রাজী হয়েছিল দুই পরিবার। কিন্তু কোথায় কী! সুখ উড়ে গেল কর্পুরের মতো। ১০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে ওপার বাংলার দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালিতে। মৃতার নাম টুম্পা মণ্ডল। বয়স ২২ বছর। অভিযুক্ত স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ২ বছর আগে নোদাখালি থানার শুভ সরকারের সঙ্গে বিয়ে হয় বিষ্ণুপুর থানার চিলাবেড়িয়ার টুম্পা মণ্ডলের। পেশায় নার্সারি শ্রমিক শুভ সরকারের সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল টুম্পার। বিয়ের পর প্রথম প্রথম সবকিছু বেশ ভালোই চলছিল। আনন্দেই কাটছিল দিন। কিন্তু মাস ঘুরতে না ঘুরতেই সুখী দাম্পত্যের স্বপ্ন একটু একটু করে ভাঙতে শুরু করে।

অভিযোগ, বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য টুম্পার উপর অত্যাচার শুরু করে স্বামী শুভ সরকার ও শ্বশুর-শাশুড়ি। টুম্পার বাবার বাড়ির লোকজন দাবি করেছেন, বিয়ের পর জামাই শুভ মিত্র অন্য এক নারীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। এই ঘটনা জানার পর স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করতেই টুম্পার উপর শুরু হয় অত্যাচার।

শ্বশুরবাড়িতে টুম্পাকে মারধর করা হতো। সম্প্রতি বাবার বাড়ি থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে আসার জন্য টুম্পাকে চাপ দিতে থাকে শুভ। কিন্তু বেঁকে বসে টুম্পা। আর তারপরই টুম্পাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে শুভ সরকার টুম্পাকে খুন করে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে টুম্পার শ্বশুরবাড়িতে ছুটে যান বাড়ির লোকজন। গিয়ে দেখেন, শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় শোয়ানো অবস্থায় রয়েছে টুম্পা। শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেছে।

সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে টুম্পাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতার বাবার বাড়ির অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী শুভ সরকার ও শ্বশুর, শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা