kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

হলিউডি সিনেমা স্টাইলে সৌদি সাংবাদিককে হত্যা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হলিউডি সিনেমা স্টাইলে সৌদি সাংবাদিককে হত্যা!

সৌদি আরবের সরকারের সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করতে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড নিয়োগ দিয়েছিলেন দেশটির শীর্ষ নেতারা। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর একেবারে হলিউডি সিনেমা স্টাইলে হত্যা করা হয় তাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ‘শীর্ষ কর্মকর্তাদের’ বরাত দিয়ে টাইমস জানিয়েছে, ওই আততায়ী টিমে একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞও ছিলেন। যিনি একটি হাড় কাটতে করাত নিয়ে এসেছিলেন, যাতে খাশোগিকে হত্যার পর তার দেহ টুকরো টুকরো করা যায়।

তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টাইমস জানিয়েছে, ওই দলটি দুই ঘণ্টার ভেতর হত্যার অপারেশন শেষ করে এবং তুরস্ক থেকে বিভিন্ন দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এই হত্যাকাণ্ডকে কোয়েন্তিন তারান্তিনো পরিচালিত ১৯৯৪ সালের হলিউডের সিনেমা ‘পাল্প ফিকশন’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা।

তবে সৌদির কর্মকর্তারা খাশোগির নিখোঁজ ও তার হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে তাদের এই দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে রিয়াদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান।

এদিকে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলা দৈনিক সাবাহ, ওই ১৫ সদস্যের আততায়ী টিমের সদস্যদের নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে। এখন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের খুঁজছে তুরস্কের কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন সিনেটের বিদেশ সম্পর্ক কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর বব কর্কার বলেছেন, ‘সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে খাশোগিকে গত সপ্তাহে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা’ করা হয়েছে।

খাগোশিকে হত্যার এই অভিযোগ সত্য হলে সৌদির বিরুদ্ধে সরব হতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ৫৯ বছর বয়সী খাশোগি ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে কাগজপত্র ইস্যু করার জন্য প্রবেশ করেন। কিন্তু তার পরিবার ও বন্ধুবান্ধব এবং তুরস্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, সে কনস্যুলেট থেকে আর বের হননি।

সিনিয়র এই সাংবাদিক সৌদির শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন উপদেষ্টাও ছিলেন। কিন্তু গেল বছর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে চলে আসায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা