kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

পিছু হটছে তালেবান? শান্তিপ্রিয় মার্কিন নাগরিকদেরকে খোলাচিঠি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৭:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিছু হটছে তালেবান? শান্তিপ্রিয় মার্কিন নাগরিকদেরকে খোলাচিঠি!

তালেবানরা কি পিছু হঠছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে লেখা এক খোলা চিঠিতে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে তালেবান গোষ্ঠী। আফগানিস্থান থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

তিন হাজার শব্দের লেখা ওই চিঠিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর আর্জি জানানো হয়েছে, যাতে অর্থের অপচয় বন্ধ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। শান্তিপ্রিয় আমেরিকানদের উদ্দেশে লেখা ওই চিঠিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তালেবানদের দীর্ঘ আলোচনার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির জন্য আফগানিস্তানের উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে তালেবানরা।

শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তালেবানরাই আফগানিস্তানের যাবতীয় সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে সক্ষম হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এর আগেও, তালেবানের তরফ থেকে ১৬০০ শব্দের এক চিঠি পাঠানো হয়। ইংরেজীতে লেখা ওই চিঠিটি সংবাদ মাধ্যমের হাতে তুলে দিয়েছিলেন তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের যৌনকেচ্ছার সত্যতা স্বীকার করলেন তাঁর আইনজীবী!

চিঠিতে বলা ছিল, আমেরিকা প্রশাসন আফগানিস্তানে মিলিটারির সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুদ্ধবাজ মিলিটারিদের হাতে আফগানিস্তানকে ছেড়ে না দিয়ে ট্রাম্পের উচিত আমেরিকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া।

আফগানিস্তানে ২০১৭ সালে ৮৪০০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে পেন্টাগনের সুপারিশে আরো ৪০০০ জন সেনা আফগানিস্তানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সামরিক বাহিনী।

এদিকে, ইরাক থেকে মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিল মার্কিন সংবাদ সংস্থা। ইরাক সরকারের মুখপাত্র সাদ আল হাদিসি বলেছেন, কিছুদিন আগেই ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। মার্কিন সেনা কমানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন ও বাগদাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক সমঝোতার ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেয় আমেরিকা।

আরও পড়ুন: ইরানে সু চির ১৫ বছরের জেল!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা সংখ্যা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গত এক বছরে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৭ সালের শুরুতে সেখানে মার্কিন সেনার সংখ্যা ছিল সাড়ে আট হাজার। এখন তা বেড়ে ১৪ হাজারে পৌঁছেছে। আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আইএস সন্ত্রাসীদের উপস্থিতিও জোরদার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা