kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

লিবিয়ার উপকূলে শরণার্থীবাহী নৌকাডুবি, নিহত ২৪০

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ নভেম্বর, ২০১৬ ০৯:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিবিয়ার উপকূলে শরণার্থীবাহী নৌকাডুবি, নিহত ২৪০

ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২৪০ জন শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

বেঁচে যাওয়া দুই ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র কারলোতা সামি বলেন, ২০ নারী, ছয় শিশুসহ শরণার্থীদের একটি দল স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৩টায় একটি নৌকায় লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগরে যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই নৌকাটি ডুবে যায়। এর পরপরই উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছে যান। তবে জাহাজের বেশির ভাগ যাত্রীই ডুবে যান। উদ্ধারকারীরা তিন শিশুসহ ১২ জনের লাশ উদ্ধার করেন এবং ২৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন। নৌকাটিতে ১৪০ যাত্রী ছিলেন। প্রায় একই সময়ে আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যান দুই নারী। ওই নৌকায় যাত্রী ছিলেন ১৩০ জন।

সামি আরও জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ৩১ জন শরণার্থী বৃহস্পতিবার সকালে ইতালির ল্যামপেদুসা উপকূলে পৌঁছেছেন। তারা জানান, প্রথম ডুবে যাওয়া নৌকার ২৯ জন প্রাণে বেঁচে আছেন এবং ১২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অপর উদ্ধার অভিযানে সাঁতার কাটা অবস্থায় দুই নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নৌকার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে সেটি এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন, ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে নৌকা দুটি ছেড়েছিল। লিবিয়া উপকূল থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে শক্ত কাঠের সঙ্গে আঘাতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। নৌকায় অন্তঃসত্ত্বা নারী ছাড়াও অন্তত ৬ শিশু ছিল। কোনো শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এক নারী তার দুই মাসের সন্তানকে হারিয়েছেন। নৌকাডুবির ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা পানিতে থাকার পর খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের উদ্ধার করেন।

আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে ৪২২০ জনের মৃত্যু হলো। ২০১৫ সালে মারা যান ৩৭৭৭ জন। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র ফ্লেভিও ডাই জিয়াকোমো বলেন, গত অক্টোবরে এ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭ হাজার ৩৮৮ জন শরণার্থী ইতালি পৌঁছান। আর চলতি বছরে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫৮ হাজার শরণার্থী ইতালি পৌঁছান।
সূত্র : বিবিসি, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, আল-জাজিরা

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা