kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

নিউ ইয়র্কের ভোট নিয়ে হিলারি স্যান্ডার্সের মধ্যে চরম উত্তেজনা

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি:   

৮ এপ্রিল, ২০১৬ ১৪:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিউ ইয়র্কের ভোট নিয়ে হিলারি স্যান্ডার্সের মধ্যে চরম উত্তেজনা

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিলারি ক্লিনটন ও বার্নি স্যান্ডার্সের দৃষ্টি এখন নিউ ইয়র্কে দিকে। এ নিয়ে দুই প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা যত বাড়ছে তত বাড়ছে উত্তেজনাও।

দুই সপ্তাহ পরই নিউ ইয়র্কে ভোটযুদ্ধে নামবেন এই দুই ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী। সেখানে তাদের দুজনের অবস্থানই শক্ত। তবে নিজেকে সমাজতান্ত্রিক দাবি করা স্যান্ডার্সের জন্য নিউ ইয়র্ক একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গত মঙ্গলবার উইসকনসিনে জয় পেয়েছেন তিনি। নেভাডা অঙ্গরাজ্যে তার পরাজয় ঘোষণা করার পরও শেষ পর্যন্ত ডেলিগেটদের কারণে জিতে যান তিনি। কিন্তু ভারমন্ট অঙ্গরাজ্যের সিনেটর স্যান্ডার্স তার মন্তব্য থেকে সরে যাননি। প্রমাণ হিসেবে তিনি হাজির করেছেন ওয়াল স্ট্রিটের সাথে হিলারির দহরম-মহরম সম্পর্ক এবং ইরাক যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়াকে। তার বিরুদ্ধে আগে বাকযুদ্ধ শুরু করার জন্যও তিনি হিলারিকে দায়ী করেন।

নির্বাচনের প্রথম দিকে হিলারির প্রতিপক্ষ হিসেবে স্যান্ডার্সকে কেউই পাত্তা দেয়নি। গণমাধ্যমগুলো তার বিরোধিতা করেছে এবং এখনো করছে কৌশলে। হিলারির নামের শেষে ক্লিনটন নাম যুক্ত থাকায় তিনি সুবিধা পাচ্ছেন অনেক। কিন্তু সেটা ২০০৮ সালেও পেয়েছিলেন, অথচ বারাক ওবামার কাছে তার পরাজয় হয়েছিল ঠিকই।

মধ্যবিত্ত মানুষ পুঁজিপতিদের সাথে হিলারির যোগাযোগকেও ভালো চোখে দেখছে না, বিশেষ করে ওয়াল স্ট্রিট। অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটে এখন পর্যন্ত হিলারি এগিয়ে থাকলেও কিছু নৈতিক কারণে পিছিয়ে পড়ছেন তিনি। এদিক থেকে স্যান্ডার্সের দৃঢ় রাজনৈতিক ইতিহাস এবং নৈতিকতা তাকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলছে মার্কিনিদের কাছে, বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষের কাছে।

স্যান্ডার্সকে গণমাধ্যম এবং ওয়াশিংটনের প্রতিষ্ঠিত পুঁজিপতিরা সমর্থন না দিলেও তার বিস্ময়কর জয়ের কারণ হচ্ছে সাধারণ মানুষ। নীতিনির্ধারণী জায়গা থেকে হিলারির চেয়ে সুস্পষ্ট অবস্থানে রয়েছেন তিনি। মানুষ এখন তথাকথিত রাজনীতিবিদদের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে গেছেন। হিলারির অভিজ্ঞতা স্যান্ডার্সের চেয়ে বেশি হলেও তার সিদ্ধান্তে যে ভুল হয়েছিল সে জন্য মাশুল দিতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে।



সাতদিনের সেরা