kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

পল্লবী ঘোষ : চারজনকে আমিই মেরেছি, ওরা প্রত্যেকেই মরেছে তো স্যার?

অনলাইন ডেস্ক   

১১ আগস্ট, ২০২২ ১৩:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পল্লবী ঘোষ :  চারজনকে আমিই মেরেছি, ওরা প্রত্যেকেই মরেছে তো স্যার?

পল্লবী ঘোষ: ছবি হিন্দুস্তান টাইমস

‘যা করার আমিই করেছি। চারজনকে আমিই মেরেছি। ওরা প্রত্যেকেই মরেছে তো স্যার? আমি রেগে গেলে যা ইচ্ছা করতে পারি। নিজেকেও মারতে পারি।

বিজ্ঞাপন

নিজের স্বামীকেও মারতে পারি। ’

গতকাল বুধবার কলকাতার হাওড়ায় চাঞ্চল্যকর চার খুনের ঘটনায় এভাবেই সাক্ষ্য দেন খুনের দায়ে অভিযুক্ত পল্লবী ঘোষ। পুলিশের জেরায় প্রাথমিকভাবে পল্লবী খুন করার কথা স্বীকার করেছেন।  এ ঘটনায় মৃতরা হলেন গৃহকর্ত্রী মাধুরী ঘোষ, তার ছেলে দেবাশিস ঘোষ, পুত্রবধূ রেখা ঘোষ এবং দেবাশিস ও রেখার মেয়ে তিয়াসা ঘোষ।  

জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরেই এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি হাওড়া থানার এমসি ঘোষ লেনে ঘটে। খুনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে পরিবারের ছোট বউ পল্লবীকে। তার স্বামী দেবরাজ পলাতক রয়েছেন।  

পুলিশের কাছে খুনের স্বীকারোক্তিতে পল্লবী আরো জানান, রাত সাড়ে ১০ টার কিছু আগে পানির কল খোলা রাখা নিয়ে ভাশুর ও জায়ের সঙ্গে ঝগড়া হয় তার। এরপর দোতলার ঘরে ছেলেকে আটকে রেখে কাটারি নিয়ে নিচে নেমে আসেন তিনি। তারপর মর্মান্তিক এই ঘটনার জন্ম দেন।

স্থানীয়রা জানান, সে এক বীভৎস দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন তারা।  এমন দৃশ্য দেখতে হবে ভাবেননি কেউ। ভাই দেবাশিসকে কোপাচ্ছেন দেবরাজ। ওদিকে দেবাশিসের স্ত্রী রেখাকে মারছেন দেবরাজের স্ত্রী পল্লবী। দেবাশিসের মেয়ে তিয়াসা (১৩) ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে এসে কাকা এবং অন্যান্য আত্মীয়-প্রতিবেশীদের ডাকতে থাকে। বাবা-মাকে বাঁচানোর আকুতি করলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাদের। এমনকি বাঁচতে পারেনি সে নিজেও। তিয়াসা হাওড়া যোগেশ চন্দ্র গার্লস স্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্রী। এই হামলা থেকে তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এসে আহত হয়েছেন আরো দুই আত্মীয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন হাওড়া পুলিশ কমিশনার ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা। এসে মৃতদের লাশ ও খুনে ব্যবহৃত রক্তমাখা কাটারি উদ্ধার করে পুলিশ। আরেক অভিযুক্ত খুনি পল্লবীর স্বামী দেবরাজ এখনো পলাতক বলে জানায় পুলিশ।

সূত্র : আনন্দবাজার



সাতদিনের সেরা