kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুই কিশোরকে জিম্মি করে ধর্ষণ, তিন যুগ পর কাঠগড়ায় ৭২ বছরের নারী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুই কিশোরকে জিম্মি করে ধর্ষণ, তিন যুগ পর কাঠগড়ায় ৭২ বছরের নারী

অভিযুক্ত বাঁয়ে

নিজের বাড়িতে দু'জন কিশোরের সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে বয়স্ক এক নারীর বিরুদ্ধে। তার মধ্যে এক কিশোরের সঙ্গে বহুবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে ৭২ বছর বয়সী ডেলনা ওয়েলসের বিরুদ্ধে।

গত ২২ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিস্টল ক্রাউন কোর্টে ওই মামলার শুনানির দিন ছিল। শুনানির সময় ওই নারীকে কামুক বলে অভিযুক্ত করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী।

অভিযোগে বলা হয়েছে, যে দু'জনের সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে, ঘটনা ঘটার সময় দু'জনেরই (কিশোর) বয়স ১৬ বছরের চেয়ে কম ছিল। আর ঘটনার সময় অভিযুক্ত নারীর বয়স ছিল ৪০ বছর।

যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওই নারী। তার দাবি, দু'জনই ফ্যান্টাসির জগতে বসবাস করে তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করেছে। বাস্তবে এ ধরনের ঘটনা তিনি ঘটাননি।

তবে আইনজীবী ডোনাল্ট টাইট বলেন, ১৯৪৭ সালে জন্ম নেওয়া এই নারী যৌবনে ছিলেন অত্যন্ত কামুক। ভুক্তভোগী কিশোরকে তিনি শতাধিকবার বিছানায় নিয়ে গেছেন।

তিনি আদালতে আরো বলেন, প্রথম কিশোর ওই নারীর বাংলোতে গিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি টেলিভিশন দেখছিলেন এবং ধূমপান ও মদ্যপান করছিলেন। একপর্যায়ে টেলিভিশনের পর্দায় আবেদনময়ী দৃশ্য ভেসে ওঠে। এরপর ওই কিশোরকে তিনি নিজের রুমে নিয়ে যান এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করেন।

তারপর ওই নারীর চাহিদামাফিক শতাধিকবার ওই কিশোরকে বিছানায় যেতে হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, কিশোর এ কথা ভয়ে ওই সময় কাউকে বলতে পারেনি। কারণ সে ভেবেছিল, এ কথা কাউকে জানালে তাকে জেলে যেতে হতে পারে।

আরেকজনের অভিযোগ, কিশোর বয়সে ওই নারীর বাসায় যাওয়ার পর হুট করেই তার গোপনাঙ্গে হাত দেন ওই নারী। এরপর তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ওই ঘটনার পর বয়স্ক সেই নারীর বাসার বাথরুমে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ওই ব্যক্তির দাবি, তাকে আকুষ্ট করার জন্য ওই নারী কৃত্রিম অঙ্গ নিয়েও নানা ধরনের অঙ্গভঙ্গি করেছেন। যা তার ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছে।

ওই ব্যক্তির অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডেলনা ওয়েলস। অন্যদিকে সেই ব্যক্তির স্ত্রীর দাবি, তার স্বামী কখনোই মিথ্যা অভিযোগ করার পাত্র নন। কখনোই খারাপ আচরণ করেন না তিনি। এমনকি অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের তার স্বামী। ফলে, এ ব্যাপারে সত্যতা না থাকলে অভিযোগ করার প্রশ্নই আসে না।

মামলা চলছে। শুনানি চলমান রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা