kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভোলায় পুলিশকে বাঁচাতে মাদরাসা ছাত্ররাই এগিয়ে আসে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোলায় পুলিশকে বাঁচাতে মাদরাসা ছাত্ররাই এগিয়ে আসে!

ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানা এলাকায় উপজেলা ঈদগাহ মাঠে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশসহ সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

গত শুক্রবার “বিপ্লব চন্দ্র শুভ” নামের একজনের ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য (২৫) নামের এক যুবক রাত আটটায় ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানায় জিডি করেন। জিডি নম্বর-৪৪০, তারিখ-১৮ অক্টোবর। জিডি করার সময় থানায় অবস্থানকালেই বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্যর নম্বরে একটি কল আসে এবং তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ওসিকে জানান। ওসি বিষয়টি ভোলা জেলার পুলিশ সুপারকে জানান। প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সেদিন রাতের মধ্যেই বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্যর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাককারী ও তাঁর মোবাইলে কলকারী শরীফ ও ইমন নামের দুই যুবককে যথাক্রমে পটুয়াখালী ও বোরহানউদ্দিন থেকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের বোরহান উদ্দিন থানায় আনা হয়।

ওই ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কথিত কমেন্টের জেরে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমান উত্তেজিত হতে থাকেন। ফেসবুকে ধর্মীয় মন্তব্যের অভিযোগে মন্তব্যকারীর ফাঁসি দাবি করেন স্থানীয় আলেম সমাজ। ঈদগাহ মাঠ ময়দানে তারা প্রতিবাদ সভার ঘোষণা দেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ভিড়ে কিছু অতি উৎসাহী ছেলেকে। আত্মরক্ষার্থে একটা কক্ষে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। অতি উৎসাহী ছেলেরা মারমুখী হয়ে দরজায় আঘাত করতে থাকে। এসময় বেশকিছু মাদরাসার শিক্ষার্থী ওই অতি উৎসাহী ছেলেদের আটকানোর চেষ্টা করে। 

পুলিশ বলছে, পুলিশ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে শুরু থেকে তৎপর থাকা সত্ত্বেও এবং আলেম সমাজ পুলিশ কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রেখে কর্মসূচি স্থগিত করলেও কোনো একটি স্বার্থান্বেসী মহল ধর্মকে পুঁজি করে একটি সামাজিক অস্থিরতা তৈরির অপপ্রয়াস চালিয়েছে। 

পুলিশ জানাচ্ছে, নিহত চারজনের মধ্যে দুজনের মাথা থেঁতলানো ছিল। এই কাজ কারা করেছে, এটাও বড় প্রশ্নের বিষয়। প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে এই অতি উৎসাহী কারা?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা