kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফেসবুকে আবরারের যে ছবি ভাইরাল!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফেসবুকে আবরারের যে ছবি ভাইরাল!

নির্মম নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের শিশুকালের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

গত সোমবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ‘বুয়েটিয়ান’ ফেসবুক পেজে  ‘ছোট্ট আবরার সোনামণি’ ক্যাপশনে আবরারের শিশুকালের একটি ছবিটি পোস্ট করা হয়। যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। যে ছবিটিতে ৩৫ হাজার লাইক ও ৫’শ ৩৫ কমেন্ট এবং ৭’ ৮০টি শেয়ার হয়েছে।

ছবিটির হুবহু কিছু কমেন্ট তুলে দরা হলো:

এইচ এম আমিনুল ইসলাম লিখেছন, ‘কারও নজর যাতে না লাগে সেই জন্য মা নজর ফোঁটা দিয়ে দিছিলো। মায়ের কোল ছেড়ে দূর শহরে চলে যাওয়ার পর বাপধনের উপর শকুনের নজর লেগে যাবে মা ভাবেনি কখনও’

নাহার আখতার লিখেছেন, ‘ছোট তুই আমার রক্তের কেউ না বাট, তুর কথা মনে করে এখনো কাঁদি আর আল্লাহকে এটাই বলি আল্লাহ তুমি চাইলে তো ওকে বাঁচাতে পারতে কেন বাঁচালে না ওকে তুমি কি ভাবে ওর কান্না দেখে চুপ থাকতে পারলে কি ভাবে সইলে ওর বেচে থাকার আর্তনাদ’

সুচনা ইসলাম আলো লিখেছেন, ‘চেহারায় নুর আছে ছোটবেলা থেকেই। আল্লাহ মনে হয় তাদের প্রিয় রুহ গুলাকে অনেক আগে থেকেই আলাদাভাবে বিশেষ বৈশিষ্টে স্পেশাল করে দেন’

মানসুরা মাহিন লিখেছেন, ‘যতবার তোমার খবর পড়েছি,দেখেছি কোনভাবেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি, আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক দোয়া রইল,আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের উচু মাকাম দান করুক এই কামনায় করি,,,তোমার মা বাবার কান্নার মুল্য তুমি পাবে ইনশাআল্লাহ...’  

শিরিন আখতার লিখেছেন, ‘সত্যি আবরার ভাইয়াকে কি আমরা চিনতাম,??চিনতাম না?আল্লাহ তা আলার পরিকল্পনা হয়তো এমনি ছিল,,আবরার ভাইকে কোটি মানুষের হ্নদয়ে বসিয়ে দিয়ে নিয়ে গেলেন তার কাছে,, অনেক ভালোবাসা,, শ্রদ্ধা,,সম্মান আবরার ভাইয়ের প্রতি’

শেহজাবিন রহমান রিমঝিম লিখেছেন ‘তোমাকে কখনও বাস্তবে দেখি নি,ভাই। এরপরেও তোমার কথা ভাবলে,কষ্টে বুকটা ফেটে যায়। আল্লাহ তা'আলা...তোমাকে জান্নাত নসীব করুক’

এফএ আমাতুল্লাহ লিখেছেন, ‘ছবিটা দেখে বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠলো ব্যাথায়। চোখের এই অপ্রকাশিত জলকণাগুলো উপরে বিচার দিয়েছে। এপারে বিচার পাই আর না পাই, উপরে ঠিক সে সব শোনে নিয়েছে। হাসবুনাল্লাহি ওয়া নি’মাল ওয়াকিল।’

মো. মোশারফ হুসাইন লিখেছেন, ‘একটি উজ্জ্বল নক্ষএ নিভে গেল হৃদয় টা ক্ষত বিক্ষত করে লাক্ষো কোটি মানুষের, এতো মানুষের ভালবাসায় যে প্রান চলে গেল, আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে জান্নাত দান করবেন।’

নীলিমা আফরিন অনির্বান লিখেছেন, ‘একেবারে অদেখা, অজানা একটা ছেলে কীভাবে যে মনের কোণে জায়গা করে নিল, জায়গা করে নিয়েছে মোনাজাতের অস্রুতে। আল্লাহ তার কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, আমিন।’

আহমাদুল হক আদনান লিখেছেন, ‘আমিও আবরার হতে চাই...! আবরার, তোমাকে ওরা মেরে বড় ভুল করেছে। জানো, পুরো দেশ এখন তোমার নামে মুখরিত। শিল্পীরা গান করছে তোমাকে নিয়ে, কবিরা লিখছে কবিতা, গল্পকারের কাছে তুমি এখন গল্পের মূল চরিত্র!! আঁকিয়ে-রা তোমার নামে গ্রাফিতি আঁকছে দেয়ালে দেয়ালে..।’

মো. ইউসুফ লিখেছেন, ‘আহ্ আবরার যেন আমার পরিবারের কেউ একজন, তার পবিত্র মুখটা দেখলে চোখের পানি ধরে রাখা যায় না। আল্লাহ তার পরিবার আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সবাইকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক। আর আবরারকে শহীদের উঁচু মর্যাদা দান করুক।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা