kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

বিএনপি অচল হওয়ার আগে করণীয়

গাজীউল হাসান খান

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



বিএনপি অচল হওয়ার আগে করণীয়

আমাদের দেশে অন্তর্দলীয়, আন্তর্দলীয় কিংবা জাতীয় পর্যায়ে সত্যিকার অর্থে কোথাও প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে—এ কথা হলফ করে বলা যাবে না। উপমহাদেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র কিংবা ব্যক্তিবিশেষের শক্তিশালী প্রভাবের কারণে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-নেত্রীদের মতামত অনুযায়ী দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে দেখা যায় না। বলা যায়, সর্বক্ষেত্রেই ওপর থেকে সিদ্ধান্ত একরকম চাপিয়ে দেওয়া হয়। গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নটি পাশ কাটিয়ে সরকার অনেক সময় জাতীয় স্বার্থে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, যার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। আসলে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কিংবা নীতি-নৈতিকতাকে, এককথায় বলতে গেলে গ্রাস করে ফেলেছে শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণিস্বার্থ এবং পুঁজিবাদের চরম বিকাশের কারণে বাজার অর্থনীতির ধান্দা। ইউরোপের হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে এখন গণতন্ত্রের অবর্ণনীয় সংকট চলছে। পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ কিংবা আধিপত্যবাদী রাজনীতির কারণে প্রকৃত গণতান্ত্রিক চর্চা কিংবা মূল্যবোধ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কিংবা জাতীয় জীবন থেকে অতি দ্রুত যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সমকালীন বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সর্বত্রই এখন রাষ্ট্রীয় কিংবা জাতীয় জীবনে প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে গণতান্ত্রিক সংকট। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন কিংবা গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগের দিন রাতে কী হয়েছে, আজকের গণতান্ত্রিক বিশ্ব যেন তা নিয়ে মোটেও দ্বিধাগ্রস্ত নয়। তারা দেখতে চায় তথাকথিত রাজনৈতিক ক্ষমতা এখন কার হাতে কিংবা আগের ক্ষমতাসীন দল শেষ পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক প্রাধান্য ধরে রাখতে পেরেছে কি না, তা যেভাবেই হোক।

তেমন একটি পরিস্থিতিতে বিএনপি কিংবা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ভোট ডাকাতির অভিযোগে কেউ কেউ যখন নির্বাচন বর্জন করছিলেন তখনো ঐক্যফ্রন্টের কোনো কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে বলে গণমাধ্যমে মতামত ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনের আগের দিন থেকে ভোটগণনা পর্যন্ত নির্বাচনকেন্দ্র পাহারা দেওয়া দূরে থাক, তাঁদের এজেন্টও বেশির ভাগ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেনি। বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হয়েছেন। তখন আদালতে ঘোষিত সাজার কারণে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এবং তাঁর জামিনে ছাড়া পাওয়ার তো সুযোগই সৃষ্টি করতে পারেননি বিরোধী জোটের নেতারা। সে কারণে গণমাধ্যমজগতের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—এই যখন সার্বিক পরিস্থিতি তখন নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে তাদের (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) কী কী বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল? বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকলে তেমন একটি পরিস্থিতি কি কল্পনা করা যেত? বাংলাদেশ অচল হয়ে থাকত তাঁর দাবি না মানা পর্যন্ত। এ বিষয় থেকেই বোঝা যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে, বিশেষ করে বিরোধী দল বা জোটে এখন স্বার্থান্বেষী, অরাজনৈতিক ও অযোগ্য লোকে ভরে গেছে। খালেদা জিয়া জেলে, তদুপরি ভয়ানক রকম অসুস্থ। তাঁর অবর্তমানে, তাঁর ছেলে তারেক রহমান, যাঁকে দলের নেতৃত্বে বসানো হয়েছে, তিনিও দেশের বাইরে। শুধু তা-ই নয়, তিনি একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামি। সুদূর লন্ডনে বসে তাঁর পক্ষে বর্তমানে শোচনীয় পরিস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব দেওয়া কতটুকু সম্ভব? যে দল নির্বাচনে অভাবনীয় বিপর্যয়ের পর রাজধানী ঢাকা কিংবা দেশের কোনো স্থানে একটি প্রতিবাদ মিছিল পর্যন্ত বের করতে পারেনি, তারা করবে এ দীর্ঘ সংগ্রামের ঐতিহ্যে লালিত বাংলাদেশে রাজনীতি? যে দলের ভেতরে নেই গণতন্ত্রের চর্চা, তারা কিভাবে দেশব্যাপী জাতীয় পর্যায়ে গণ-আন্দোলন সৃষ্টি করবে? স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলা যায় না। আর যোগ্য নেতৃত্ব ও দলের ভেতর সর্বস্তরে গণতন্ত্রের চর্চা না থাকলে এ পর্যায়ে কোনো আন্দোলনই গড়ে উঠবে না। সে জন্য চাই অত্যন্ত যোগ্য ও বিকল্প নেতৃত্ব। মাঠপর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুললেই যে এ দেশে আগের মতো জ্বালাও-পোড়াও, অবরোধ কিংবা পেট্রলবোমা নিক্ষেপের রাজনীতি আবার চালু করা যাবে, তা নয়।

দৃশ্যত বিএনপি নেতারা এখন সব কিছুতে হাল ছেড়ে দিয়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে ঘরে বসে পড়েছেন। তাঁদের প্রধানত নির্ভর করতে হচ্ছে লন্ডনের দিকনির্দেশনার ওপর। এই উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটলেও লন্ডনের গুরুত্ব কমেনি। কিন্তু লন্ডন থেকে যাঁরা দিকনির্দেশনা দেবেন তাঁরা তো সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন। তাঁরা যে সাত সমুদ্র তেরো নদীর পার থেকে কিছু বললে হামলা, মামলা, বেকারত্ব ও দারিদ্র্যে জর্জরিত কর্মিবাহিনী সে কথা শুনবেই বা কেন? আর তা ছাড়া চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কর্মিবাহিনীকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দেশব্যাপী সংগঠনও এখন আর তেমন কার্যকর নয়। সে কারণে সূচনাতেই এখন এ দলের প্রয়োজন পুনর্গঠন। ত্যাগী ও যোগ্য মাঠপর্যায়ের নেতাদের সমাবেশ ও সমন্বয় ঘটাতে হবে প্রথমে। তা ছাড়া কেন্দ্রে প্রয়োজন বিকল্প যোগ্য নেতৃত্ব। দেশের রাজনীতির এ অচলাবস্থায় খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমান সরাসরি যেহেতু কিছু করতে পারবেন না, তখন তাঁদের প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়াই বাঞ্ছনীয়। নতুবা দলটি ক্রমে ক্রমে আরো বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। শেষ পর্যন্ত এ সংগ্রামী দলটি চরমোনাই কিংবা আটরশির পীর সাহেবের ভাববাদী ঘরানার দলে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রধান কর্মসূচি হাতে নিয়ে দলটিকে সম্পূর্ণভাবে পুনর্গঠন করতে হবে। তৈরি করতে হবে যোগ্য ও বলিষ্ঠ বিকল্প নেতৃত্ব। এতে দীর্ঘ সময় সাংগঠনিকভাবে ব্যয় করতে হলেও এ দেশের একটি ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা আবার জেগে উঠবে। বিএনপি নেতাদের ভুলে গেলে চলবে না যে দেশ ও বিদেশে এখন তাঁদের রাজনীতির একটি দুঃসময় চলছে। এ সামগ্রিক পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে, দলকে সম্পূর্ণভাবে পুনর্গঠিত করতে এবং আন্দোলনের সঠিক পরিবেশ অর্থাৎ বাস্তবভিত্তিক অবস্থা গড়ে তুলতে সময় লাগবে। এতে হতাশার কারণ দেখা দিলে অরাজনৈতিক আচরণ দলের জন্য আরো ক্ষতির কারণ হবে। বর্তমানে দলটিতে গণসংগঠনের কোনো চরিত্রই নেই। এখানে মূল বক্তব্য হচ্ছে, দলকে বাঁচাতে বিএনপির এ মুহূর্তে প্রয়োজন একটি বড় রাজনৈতিক অস্ত্রোপচার।

বিএনপি নেতাদের উচিত হবে সরকারের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পথসভা থেকে জনসভার আয়োজন করা। বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের বিজ্ঞ চিন্তাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনাসভার আয়োজন করা। বিএনপিকে রাজনৈতিক আচরণের দিক থেকে বিপরীত কথাবার্তা বলা কিংবা কর্মকাণ্ড চালানো পরিহার করতে হবে। একদিকে বিএনপি নির্বাচনের ফলাফল মানবে না আবার সংসদেও যাবে। সব সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাদ দিয়ে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আঙিনায় নিজেদের বিচরণ সীমাবদ্ধ রাখবে, তা তো হতে পারে না। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী ছাড়া এখন দলের প্রধান দপ্তরে কেউ যান বলে মনে হয় না। সে কারণেই সবার প্রশ্ন, বিএনপির এ রাজনৈতিক অচলায়তন কাটবে কবে? বর্তমানে যেখানেই যাই, সেটি সচিবালয় হোক আর ভোজনালয়ই হোক—নানা রাজনৈতিক কথা ও প্রশ্ন শুনি। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন কার হাতে? রাজনীতি এখন রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের হাতে আছে কি না এবং দল হিসেবে বিএনপির আদৌ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে কি? অন্যদিকে এও শোনা যায়, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া কোনো কিছুই হয় না। বাংলাদেশে এখন এক ব্যক্তি ও একদলীয় শাসন বলবৎ হয়েছে। আসলে সমস্যা মূলত একটিই। সেটি হচ্ছে দেশের কোনো স্তরেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কিংবা গণতন্ত্রের চর্চা নেই। গণতন্ত্রের অভাবেই এত সব গুজব ও বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে বলে তথ্যাভিজ্ঞ মহলের ধারণা। সরকার কিংবা বিরোধী দল কোথাও গণতন্ত্রের বিশেষ চর্চা নেই। সব কিছু একতরফাভাবে ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। তবু কেউ কোনো প্রতিবাদ করছে না। পুলিশ কিংবা প্রশাসন, কোথাও মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ সিভিল, মিলিটারি ব্যুরোক্র্যাট ও বিত্তশালীদের (ব্যবসায়ী) হাতে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদি সত্যি তা-ই হয়ে থাকে, তবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকাটা কী? নাকি তাঁদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও দুর্নীতিতে জড়িয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছে? নতুবা তাঁরা কথা বলছেন না কেন? যথাযথ ব্যবস্থার কথা সুপারিশ করছেন না কেন সরকারের কাছে?

এসব ব্যাপারে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই কমে আসবে। তা ছাড়া ভুক্তভোগী মানুষ একদিন সংঘবদ্ধভাবেই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে, যার পরিণাম ভালো হবে না। এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ক্রমে ক্রমে বিপন্ন হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা থানা কিংবা কোর্ট-কাছারিতে বিচার পায় না, তাদের প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে না, দুর্নীতির কারণে কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারছে না, তারা ভোট দিতে গেলে ভোট দিতে পারে না। তাদের ভোট নাকি আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। সে কারণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে খুব কম মানুষই ভোট দিতে গেছে। মানুষের কাছে ভোটের গুরুত্বও এখন অনেক কমে গেছে। এমন একটি পরিস্থিতি কিংবা পরিবেশে বিএনপি যদি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রথমে নিজেরা এবং পরে জনগণকে সংগঠিত করে আন্দোলনে যেতে না পারে, তাহলে কার দোষ। এ ব্যর্থতা কার? বিএনপি এখন আর জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের পতন ঘটানোর কথা বলে না। কারণ তাদের সেদিন আর নেই। জনগণকে সংগঠিত করতে না পারলে জনগণ কেন তাদের ডাকে সাড়া দেবে? বিএনপি অতীতে এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বড় বড় আন্দোলন করেছে। তখন খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ছিল। তাঁর ওপর মানুষের আস্থা ছিল। এখন খালেদা জিয়া কারা অন্তরিন। নেতৃত্ব নেই। প্রবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়গ্রহণকারী জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন তারেক রহমান বাংলাদেশের গণ-আন্দোলনে এখন কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবেন? সে কারণেই বিকল্প যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এখানে আপস করলে চলবে না। আঞ্চলিক কিংবা জাতীয়ভাবে গণতান্ত্রিক কোনো আন্দোলনই এভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে বিএনপি কী চায়, তা তাদেরই ভালো জানা থাকার কথা। তোষামোদি কিংবা চাটুকারবৃত্তি দিয়ে সংগঠন করা যাবে না। আন্দোলন গড়ে তোলা হবে দুঃসাধ্য। এর জন্য ত্যাগ চাই, বিকল্প ব্যবস্থা চাই, সংগঠন ও যোগ্য নেতৃত্ব চাই।

 

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্বাধীনতাপূর্ব ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি

[email protected]

 


খবরটি ইউনিকোড থেকে বাংলা বিজয় ফন্টে কনভার্ট করা যাবে কালের কণ্ঠ Bangla Converter দিয়ে

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা