kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২০ জুন ২০১৯। ৬ আষাঢ় ১৪২৬। ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

১৭ মে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার দিন

আবদুল মান্নান

১৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



১৭ মে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার দিন

১৯৮১ সালের ১৭ মে ঠিক ৩৮ বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা প্রায় ছয় বছর প্রবাসে শরণার্থীর মতো জীবন কাটিয়ে এক ঝোড়ো সন্ধ্যায় দিল্লি  থেকে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করেছিলেন। তাঁর পিতা শেখ মুজিব নিজের জীবনের বেশির ভাগ সময় পাকিস্তানের কারাগারে কাটিয়েছিলেন; মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন দুইবার। আর সেই দেশে ফিরতে তাঁকে ছয় বছর শরণার্থীজীবন অতিবাহিত করতে হয়েছে। শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর জন্য জিয়াউর রহমান সরকারের উদ্যোগে ‘শেখ হাসিনা আগমন প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল, যার আহ্বায়ক ছিলেন জিয়ার সংসদের স্পিকার মির্জা গোলাম হাফিজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় তখন যে শুধু একজন ব্যক্তি বা তাঁর পরিবারকে হত্যা করা হয়েছিল তা নয়, হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলা নামের দেশটি যে উদ্দেশ্য নিয়ে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, সেই দেশটিকে হত্যা করা আর তাকে আবার একটি মিনি পাকিস্তানে রূপান্তর করা। আর যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল তারা ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এই কাজই করে গেছে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর খন্দকার মোশতাক ও বিচারপতি সায়েমের হাত ঘুরে যখন সরাসরি জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলেন তখন বাংলাদেশ এক অন্ধকার যুগে প্রবেশ করেছে। প্রথমে জিয়া যেসব রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রত্যক্ষ বিরোধিতা করেছিল, তাদের রাজনৈতিক জীবন শুরু করার অনুমতি দিয়েছিলেন তাঁর নিজ প্রয়োজনে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বঙ্গবন্ধু এসব ধর্মাশ্রয়ী দলকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। জিয়া তাদের রাজনীতিতে ফিরে আসাকে জায়েজ করার জন্য এক সামরিক ফরমানবলে সংবিধানের ওই ধারা বাতিল করেন। জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামের আবার পুনর্জন্ম হয়। জামায়াতের আমির একাত্তরের খুনিদের প্রধান গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফিরে আসার অনুমতি দেন জিয়া। বাহাত্তরের সংবিধানের মূল শক্তি ছিল রাষ্ট্রের চারটি স্তম্ভ, যার অন্যতম ছিল ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’। সংবিধান থেকে সামরিক ফরমানবলে তা বাতিল করে দিলেন।

জিয়ার শাসনামলে শুরু হয়েছিল রাত্রিকালীন কারফিউ জারির মাধ্যমে দেশ শাসনের বিচিত্র ব্যবস্থা। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত নার্ভাস কিন্তু নিষ্ঠুর রাষ্ট্রপ্রধান। কোনো ব্যক্তিকে তাঁর শাসনের প্রতি হুমকি মনে করলে তিনি তাঁকে নানা অজুহাতে ফাঁসিতে ঝোলাতেন। তাঁর আমলে ১৯টি অভ্যুত্থানের চেষ্টা করা হয়েছে। সেসব অভ্যুত্থানের সঙ্গে যাঁরাই জড়িত ছিলেন বলে তিনি সন্দেহ করেছেন, তিনি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। তাঁরা সবাই ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য। এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা দুই হাজারের ওপর। সামরিক ফরমানবলে নিষেধ করা হয় বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়া (৪ আগস্ট ১৯৭৬—‘ব্যক্তিপূজা বা ব্যক্তিত্বের মাহাত্ম্য প্রচার নিষিদ্ধ থাকিবে’) আর জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া অলিখিতভাবে হারাম হয়ে যায়। জিয়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইতে। তিনি ক্ষমতা দখল করলে বাংলাদেশে এই কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে মদদ দিতে। 

জিয়া আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে ইসলামকে দাঁড় করিয়ে দেন। ঢাকা শহর পবিত্র কোরআনের আয়াত লিখিত বিলবোর্ডে ছেয়ে যায়। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই বাংলাদেশ সফরে এলে রাতারাতি সেসব বিলবোর্ড গায়েব হয়ে যায়। তাঁর শাসনামলেই নির্বাচন জিনিসটি তিনি এক তামাশায় পরিণত করেছিলেন। জিয়ার আমলে শুরু হয় রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা নিজ দলের প্রতি অনুগত নেতাদের মাঝে পানির দরে বিক্রি করার যাত্রা। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কালো টাকা সাদা করার সংস্কৃৃতি চালু করেছিলেন জিয়া এই বলে, এই টাকা এসব কলকারখানায় বিনিয়োগ করা হবে। হলো ঠিক উল্টো। সব টাকাই দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেল। যারা পানির দামে এসব কলকারখানা ক্রয় করেছিল তারাও তা অন্যদের কাছে বিক্রি করে দেশ ত্যাগ করল। 

৩০ মে ১৯৮১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়ার মৃত্যু হলে ক্ষমতা দখল করেন আরেক সেনা শাসক এরশাদ। মাঝখানে কিছুদিন জিয়ার উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তার দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরশাদ জিয়া থেকে আরেক ধাপ এগিয়ে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেন। এর ফলে দেশের বাকি সব ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু নাগরিকে পরিণত হয়। এরশাদের আমলে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের অন্যতম নেতা খন্দকার আবদুর রশীদের নেতৃত্বে সব ঘাতক মিলে গঠন করে ‘বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টি’। এই ঘাতকদের অন্যতম ফারুক রহমান (বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে বিচারে ফাঁসির দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে) ১৯৮৬ সালে এরশাদের বিরুদ্ধে ফ্রিডম পার্টির প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরশাদও জিয়ার পথে হেঁটেছেন। এই দুই সামরিক শাসকের আমলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের নবযাত্রা শুরু হয়। দেশের ভবিষ্যৎ হয়ে ওঠে অন্ধকারাচ্ছন্ন।

জিয়া-এরশাদের আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রকৃত অর্থেই কোণঠাসা হয়ে উঠলেও দলের নিবেদিত নেতাকর্মীরা কখনো দলের প্রতি আনুগত্য বিসর্জন দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর আমলে যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে তারা কেউই ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করেনি। ১৯৭৫ সালে জেলের ভেতর চার জাতীয় নেতার মৃত্যু তার উত্কৃষ্ট প্রমাণ। তাঁরা যদি ঘাতকদের কাছে আত্মসমর্পণ করতেন, তাহলে তাঁদের জীবন বাঁচত। দল যখন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেগম জোহরা তাজউদ্দীন, আব্দুল মালেক উকিল, জিল্লুর রহমান, সাজেদা চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, দেওয়ান ফরিদ গাজী প্রমুখ দলের হাল ধরে রাখেন। বঙ্গবন্ধু অনেক পণ্ডিতকে স্বাধীনতার পর তাঁর সঙ্গে দেশ গড়ার কাজে রেখেছিলেন। তাঁদের পরামর্শ নিয়েছিলেন। দেখা গেল তাঁর মৃত্যুর পর তাঁদের অনেকেই দেশান্তরি হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ছায়াতলে যে ড. কামাল হোসেন রাজনৈতিকজীবন শুরু (ও শেষ) করেছিলেন, সেই ড. কামাল হোসেন তো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। এই সময় দলের ভেতর এক ধরনের নেতৃত্বের টানাপড়েনও শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা তখন সপরিবারে দিল্লিতে শরণার্থীজীবন যাপন করছেন।

১৯৮১ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন। এরই মধ্যে এটি পরিষ্কার হয়ে যায় আওয়ামী লীগকে যদি টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে তার হাল ধরতে হবে বঙ্গবন্ধুর একজন উত্তরাধিকারীকে। তখন সবার সামনে দিল্লিতে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আছে। বাবার রাজনৈতিকজীবন খুব কাছ থেকে দেখেছেন। দেখেছেন দেশের মানুষের জন্য তাঁর ত্যাগ আর মমত্ব। হাসিমুখে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতেও দেখেছেন। সভায় মতৈক্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। 

১৯৮১ সালের ১৭ মে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা গিয়ে দিল্লি থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে দলের সভাপতি হিসেবে দেশে ফিরিয়ে আনলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যাঁরা বিশ্বাস করেন আক্ষরিক অর্থে হয়তো তাঁরা এই দিনটির জন্য ছয় বছর অপেক্ষা করেছেন; কিন্তু অনেকের জন্য তা ছিল ৬০ বছরের সমান। তাঁরা দেখেছেন কিভাবে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত বিধৌত স্বাধীন বাংলাদেশ দুই সেনা শাসকের খপ্পরে পড়ে একটি মিনি পাকিস্তানে রূপান্তরিত হয়েছে। যে মানুষটি আজীবন বাংলা ও বাঙালির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাঁর সৃষ্ট দেশেই নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা দেখেছেন একাত্তরের পরাজিত শত্রু আর পঁচাত্তরের ঘাতকদের উল্লাসনৃত্য। সেই বিকেলে ঢাকা বিমানবন্দর আর সড়কের দুই পাশে কত মানুষ সমবেত হয়েছিল তার কোনো পরিসংখ্যান কখনো পাওয়া যাবে না। এমন একটি জনসমাগম মানুষ দেখেছে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি যখন জাতির পিতা শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছিলেন। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে জিয়ার নির্দেশে যে কমিটি করা হয়েছিল, সেই কমিটি ভীত হয়ে তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছিল। ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে বিদেশ যাওয়ার সময় যাঁর সব কিছুই ছিল, তিনি ফিরলেন এক শূন্য ঘরে। কিন্তু বাংলার মানুষ সেদিন তাঁকে ভালোবাসা আর আবেগে সিক্ত করেছিল।

দেশে ফিরেই শেখ হাসিনা ঢুকতে চাইলেন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে, যে বাড়ি তাঁর স্মৃতিবিজড়িত, যেখানে ঘাতকরা খুন করেছে তাঁর মা-বাবা আর পরিবারের সব স্বজনকে। জিয়া সেই পথ বন্ধ করে দিয়েছেন আগেই। সামনের রাস্তায় বসেই মা-বাবা আর পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া আর মিলাদ পড়েছেন শেখ হাসিনা। আশ্রয় নিলেন ফুফুর বাসায়। আওয়ামী লীগের মতো বিশাল একটি দলের ক্রান্তিকালে তাঁর নেতৃত্ব গ্রহণ একটি দুঃসাহসী কাজ। তবে হাজার হলেও তো বঙ্গবন্ধুর কন্যা। বাবার কাছ থেকে যে কয়টি গুণ পেয়েছেন তার একটি ছিল সাহস। তিনি এও জানতেন তাঁকে দলের সভাপতি করা হয়েছে ঠিক, কিন্তু কেউ কেউ চিন্তা করেছেন তিনি হবেন একটা সাক্ষীগোপাল সভাপতি আর তাঁর দলের নেতৃত্ব থাকবে তাঁদের হাতে। তাঁরা শেখ হাসিনাকে চিনতে ভুল করেছিলেন। সেই ভুল এখনো কেউ কেউ করে থাকেন।

যে সর্বহারা শেখ হাসিনা ৩৮ বছর আগে এক ঝোড়ো আবহাওয়ার মধ্যে দেশে ফিরেছিলেন, তিনি এখন বাংলাদেশের টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। সর্বমোট চারবার। একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন দেশকে তিনি আলোতে নিয়ে গেছেন। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে পঁচাত্তরের ঘাতকদের বিচার করেছেন। ২০০৯ সালে এসে ঘাতকদের বিচারের রায় কার্যকর করেছেন। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া একটি দেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির মহাসড়কে তুলেছেন। যখন দেশে ফেরেন তখনো বাংলাদেশ একটি রিলিফনির্ভর দেশ। খাদ্যঘাটতি মানুষকে তাড়া করে বেড়ায়। দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি দুর্ভিক্ষপীড়িত সমস্যাসংকুল দেশ হিসেবে পরিচিত। এখানে রাষ্ট্রপতিকে খুন করলে খুনিদের বিচার বন্ধ করতে সংবিধান সংশোধন করা হয়। সেই বাংলাদেশ এখন বিশ্বে পাঁচটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশের একটি। দেশের মানুষকে দুই বেলা খাওয়াতে পারে। ৭২ শতাংশ এখন অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন। রিলিফ শব্দটি বর্তমান প্রজন্মের কাছে অজানা। একসময়ের সর্বহারা শেখ হাসিনা বর্তমানে শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীই নন, তিনি এখন একজন বিশ্বনন্দিত রাষ্ট্রনায়ক। মাঝেমধ্যে তিনি বলেন, বয়স হয়েছে অবসরে যাবেন। আমি বলি কোথায় যাবেন? আপনার বিকল্প তো দেখা যাচ্ছে না। অনেক দূর যেতে হবে সেই আপনার প্রিয় রবার্ট ফ্রস্টের Miles to Go Before I Sleep কবিতার মতো। নেত্রী আপনি শতায়ু হোন। কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ভাষায় শুধু বাপের বেটা হয় না, বাপের বেটিও হয়।

লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা