kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

সাদাকালো

একটি বর্বর ঘটনা : সমাধান কোথায়?

আহমদ রফিক

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



একটি বর্বর ঘটনা : সমাধান কোথায়?

সমাজ যে কতটা নিষ্ঠুর, কতটা বর্বর, কতটা অমানবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে, রাফি হত্যার ঘটনাই নয়, অনুরূপ একাধিক ঘটনা আমাদের তা বুঝিয়ে দিচ্ছে। তবু আমরা এসব নিয়ে গতানুগতিকতার বাইরে পা রাখতে পারছি না, অন্ধবৃত্ত ভাঙতে পারছি না। এর অগ্নিদগ্ধ প্রমাণ যেমন রাফি হত্যা, তেমনি কিছুকাল আগে মিথ্যা মোবাইল চুরির দায়ে অনাচারী চাচির উসকানিতে এক নিষ্পাপ, নিরপরাধ কিশোরী হত্যা।

এমনই বহু ঘটনা আমাদের সমাজে নিরন্তর ঘটে চলেছে। চলেছে নারী নির্যাতন ও অন্যান্য ধারায়। ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, অন্ধ লালসা, যৌনাকাঙ্ক্ষাসহ একাধিক কারণ এসব মর্মান্তিক ঘটনার পেছনে সক্রিয়। ঘাতককুলের মূল হোতাদের কেউ প্রতাপশালী বিত্তবান, কেউ শিক্ষক-অধ্যক্ষ, কেউ সাংবাদিক সাম্রাজ্যের শিরোমণি, কেউ শক্তিমান রাজনৈতিক নেতা—অর্থাৎ সমাজের বিচিত্র স্তরের মানুষ এরা। ক্ষমতায়, প্রতিপত্তিতে, বিত্তবৈভবে এরা তুলনাহীন—বলা চলে এরা সমাজপতির ভূমিকায় প্রতিষ্ঠিত। কার সাধ্য এদের ঠেকায়।

একে তো এদের রয়েছে সামাজিক স্তরে প্রবল ক্ষমতা, সেই সঙ্গে অর্থবৃত্ত, কখনো রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি। স্থানীয়ভাবে এদের শক্তির উৎস দুষ্ট, দুর্বৃত্ত সিন্ডিকেট, যেখানে সর্বস্তরের নষ্ট-ভ্রষ্টদের সমারোহ। কখনো প্রকাশ্যে, কখনো নেপথ্যে। কাজেই নির্মম ঘটনা অতিসহজে ঘটে যায়, নিপুণ মসৃণ কুশলতায়। ভাবা যায় না এদের সহায়ক কুশীলবরা সাধারণ মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী কিংবা কর্মজীবী—যাদের পরিবার আছে, মা, ভাই-বোন আছে, আছে তাদের সঙ্গে স্নেহ-মমতা-ভালোবাসার সম্পর্ক।

তবু এরা স্বার্থের টানে, চাপে, ভয়ে-ভীতিতে বা অন্য কোনো নিগূঢ় কারণে ঘাতক বা তার সহকারী বনে যায়, মানবিক চেতনা সামাজিক অন্ধকারে লুকিয়ে পড়ে। ওরা তখন আর মানুষ পদবাচ্য থাকে না। যেকোনো প্রকার পৈশাচিক ঘটনা তখন তাদের হাত দিয়ে ঘটতে পারে। নিয়ন্ত্রক তার রিমোটযন্ত্র নিয়ে থাকে নিরাপদ দূরত্বে, কখনো অতি নিকটে মুখোশ পরে বা অতি সাহসী স্বাভাবিক চেহারায়।

ওদের কিছু হয় না। সাক্ষ্য-প্রমাণ সত্ত্বেও ওরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অতিসতর্ক বা সাবধানীরা মুখোশ আঁটা। অন্যদের কথা ভিন্ন। যেমন—ফেনীর সোনাগাজী মাদরাসার অধ্যক্ষ অতি সাহসী বীর কাউকে তোয়াক্কা করে না। এর কারণ কি অর্থবিত্ত ও রাজনৈতিক শক্তির নিরিখে এমন নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণের নিশ্চিন্ত পথের যাত্রা—‘অন্ধ শয়তান, টান দে বৈঠা’—অন্ধ শয়তানের পিঠে সওয়ার এমন এক শক্তির প্রতীক।

দুই.

আমাদের বর্তমান সমাজটা এখন এমন এক পুঁজরক্তে দগদগে ক্ষত নিয়েও নিজেকে ক্ষমতাবান আধুনিক শক্ত চরিত্র প্রকাশ করে চলেছে। এই শক্তিমানদের ইচ্ছায়ই সমাজ চলছে—প্রতিবাদীরা বিলুপ্তির শিকার। তাদের পায়ের নিচে দাঁড়াবার মতো এক সূচ্যগ্র পরিমাণ ভূমিও অবশিষ্ট নেই। গত কয়েক বছরের সংবাদপত্রগুলোর বিশেষ খবরের দিকে মনোযোগ দিলে এমন সব ঘটনার দেখা মিলবে, যা আমাদের এর আগেকার বক্তব্যের বাস্তবতা প্রমাণ করবে—অনেক অনেক ঘটনা।

আমরা সেসব ঘটনায় ব্যথিত হই, মৌখিক প্রতিবাদ জানাই, মানববন্ধনের মাধ্যমে হৃদয়ের যন্ত্রণা প্রকাশ করি। এ তৎপরতা চলে কিছুদিন। দৈনিক পত্রিকাগুলো যথারীতি তাদের সাংবাদিকসুলভ দায় ও কর্তব্য পালন করে একসময় স্তব্ধ হয়ে যায়। আশ্চর্য তারা ন্যক্কারজনক ঘটনাগুলোর পরিণতির ফিডব্যাক বা ফলোআপ কোনোটাই বড় একটা করে না। এত ধৈর্য, সহিষ্ণুতা কোথায় মিলবে?

কাজেই ঘটনাগুলো ‘প্রতিকারহীন পরাভবে’ হাওয়ায় ঝুলে থেকে দোল খায়। পরে একসময় হারিয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে অনেককেই দেখি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতার কথা বারবার উল্লেখ করে থাকেন। বৎসরান্তে কোনো কোনো সংবাদপত্র পাঠকদের ওই দুই হতভাগ্যের কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। শামছুর রহমান কেবলের কথা এখন আর কোথাও প্রকাশিত হয় না। এভাবে এরা হারিয়ে যায়।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সুদর্শনা, মেধাবী ছাত্রী তনুর বড় আকাঙ্ক্ষা ছিল, বড় হয়ে সে সংস্কৃতি ভুবনে নিজস্ব খ্যাতির অবস্থান তৈরি করে নেবে। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের এই মেয়েটির সাফল্যই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। অনাচারী শক্তিমান দুর্বৃত্তের নজর পড়ে তার ওপর। লালসার সে আহ্বান উপেক্ষা করার পরিণামে ধর্ষিত তনুকে প্রাণ দিতে হলো অসহায়ভাবে ঝোপের আড়ালে পড়ে থেকে।

পূর্বোক্ত ঘটনা প্রমাণ করে দুই নীতিহীন ফরেনসিক চিকিৎসকের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট গেল তার বিপক্ষে—‘না, ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। স্পষ্ট জনদাবির মুখে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে ভিন্নজনের মতামত একটু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে যৌনাচারের আলামত থাকলেও তা যে ধর্ষণ তেমন কথা জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। অতএব তদন্ত আপন নিয়মে চলুক।

তবু দাবি উঠেছিল, সন্দেহভাজন দু-একজন ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য, প্রাপ্ত আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে। এতে আকাঙ্ক্ষিত ফলাফল মিলতে পারত। কিন্তু কে জানে কোন অদৃশ্য শক্তির নির্দেশে সবকিছুই স্তব্ধ হয়ে গেল। তনু ধর্ষণ হত্যা তদন্ত ও মামলা ঝুলেই থাকল— থাকবে অনন্তকাল অবধি।

শাসনযন্ত্র, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নীরব, কোনো তৎপরতারই প্রকাশ ঘটায়নি, নৈতিকতা-নীতিবোধ সব দূর-অস্ত্। কেন? ঘটনাটি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে ঘটেছিল বলে? এর নিহিত তাৎপর্য বিশদ বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেক লেখালেখি হয়েছিল সে সময় ঘটনার নানা দিক, অপরাধের নানা সম্ভাবনা নিয়ে, এখন সবই বাতিলের খাতায়। কিছুদিন পর সবাই তনুকে ভুলে যাবে। শুধু ভুলতে পারবে না তার শোকার্ত, যন্ত্রণাকাতর মা-বাবা, অন্তত যত দিন তাঁরা বেঁচে থাকবেন। তত দিন তাঁরা এ পাপবিদ্ধ ঘটনাটি হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে লালন করে যাবেন কর্তৃপক্ষের প্রতি নীরব ধিক্কার জানিয়ে।

তিন.

দীর্ঘ সৌরচন্দ্রিকা বা যৌক্তিক ভূমিকা শেষে আমরা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুটিতে এসে প্রশ্ন করি, ‘এত দেরিতে, কেন এত দেরিতে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং সেই সূত্রে তার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এক এক করে তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে? আমরা আগেও লিখেছি, ঘটনার প্রথম সূত্রপাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি ব্যবস্থা নিত তাহলে রাফির শোকাবহ মৃত্যু এড়ানো যেত। তাকে নিয়ে সংবাদপত্রগুলোর এত স্থান (স্পেস), এত কালি খরচ করতে হতো না। সাংবাদিকদের শ্রমে কাতর হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু যৌন লালসাপীড়িত মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজের এতই যোগাযোগ, এতই ক্ষমতা, এতই দাপট ও দুর্বৃত্ত কেনার ক্ষমতা যে কারাগারে বসেও তার তৎপরতার একটু ঘাটতি ছিল না। তার নির্দেশে, তার পরিকল্পনা, তার ক্যাডার বাহিনী, তার পোষা ছাত্র-ছাত্রী ঠিকই একটি ভয়াবহ ঘটনা যথাযথভাবে সম্পন্ন করে ফেলে। সক্রিয় হয়ে ওঠে সিন্ডিকেট ও তার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। পরিণামে আগুনে পুড়ে মৃত্যু নুসরাত জাহান রাফির। অন্য ভাষ্যে বলা যায়, তাকে পুড়িয়ে মারা হলো। সম্ভবত ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কারণে স্থানীয় থানার দুর্নীতিবাজ ওসির বদলি, তার বিরুদ্ধে মামলা (অভাবিত ঘটনা), পুলিশের উচ্চপর্যায়ে তদন্ত এবং একে একে ঘটনার পাতা খুলতে শুরু করে। আর আমরা পড়ে অবাক হই, ভেবে অবাক হই, রাফির বান্ধবী পপির বিবেক কী একবারও বাধা দিল না, রাফিকে হত্যার আয়োজনে ছাদে ডেকে নিয়ে যেতে, তাও মিথ্যা কথা বলে। না কি দুর্বৃত্ত অধ্যক্ষের ভয়ে, নিজের ভবিষ্যৎ তাকে এই হীন কাজে নামতে প্ররোচিত করেছিল।

হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী ছকটি আরো ভয়াবহ, বড় অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিভাবে একজন অতিচেনা মানুষকে হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানো যায়। ঘাতকদের সবাই কেউ বন্ধু, কেউ পরিচিত, প্রাত্যহিক দেখাশোনায়। কিভাবে সম্ভব বান্ধবী পপির পক্ষে রাফির পা চেপে ধরে অন্যদের তার শরীরে আগুন দিতে সাহায্য করা। সত্যি ভাবা যায় না এমন ঘটনা। শুধু চেনা মুখগুলো অচেনা হয়ে যায়, এই যা।

আগেই বলেছি, ছকটি বেশ বড়—এতে অনেক স্তরের মানুষের সংশ্লিষ্টতা। বেচারি রাফি! একটি অসহায় তরুণীকে মারতে এত নিবিড় পরিকল্পনা ও এত বড় আয়োজন! নানাভাবে এতে সবার স্বার্থ জড়িত। শামীমের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান—তাই রাফিকে মরতে হবে। শামীম হাত-পা বাঁধা রাফির গায়ে কেরোসিন ঢালে, আর জাবেদ রাফির গায়ে আগুন ধরায়। ভিন্ন প্রতিবেদনে জোবায়ের তাতে অংশ নেয়। রাফিকে পুড়িয়ে মারতে প্রেমিক শামীমের হাত কাঁপেনি।

আসলে নাটেরগুরু বড় হুজুর, একটি মাদরাসার অধ্যক্ষ—পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্মবাণী যার আয়ত্তে। যেসব বাণী তার চিত্তকে সংস্কৃত করেনি। এতগুলো সুদর্শনা মেয়ে এখানে ছাত্রী দেখে লালসা নিবৃত্ত করা কঠিন। সেই সঙ্গে এক পাপের টানে আরেক পাপের জমজমাট অবস্থান দুর্নীতি। প্রচুর অর্থবিত্তের বিনিময়ে কেনা যায় সবাইকে, গড়ে তোলা যায় সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট। স্থানীয় থানা তো কোন ছার—আইনি প্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতাও হাতের মুঠোয়, তাঁর ইচ্ছায় নড়নচড়ন। তাই অনায়াসে ঘটে যায় পরিকল্পনামাফিক নুসরাত রাফি হত্যাকাণ্ড।

ঘটনা বিস্ময়কর নয় বাংলাদেশি সমাজের অবক্ষয় ও দুর্নীতিপীড়িত সমাজের জন্য। একটা বিশাল ঘটনাচিত্রের ছোট্ট একটি অংশমাত্র নুসরাত হত্যাকাণ্ড। প্রতাপশালী, বিত্তশালী দুর্বৃত্তের ইচ্ছাপূরণ। তাই থানা থেকে উপজেলা রাজনীতিক এতে জড়িত, সংবাদ ভাষ্য এমনটাই বলে। এটাই বর্তমান বাংলাদেশি সমাজের বাস্তবতা। প্রভাবশালীর আধিপত্য—সব ইচ্ছাপূরণ বিনা বাধায়। তাতে সব পক্ষের নির্বিচার সমর্থন—হোক তা মানবিক বিচারে বা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিপরীত মাত্রার। তাই রাফিকে মরতে হয়েছে। এর আগে আরো কাউকে কাউকে বিচারহীনতার কারণে। ভবিষ্যতে আরো মরবে যদি অন্যায়ের রাশ টানা না হয়, সমাজকে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করা না হয়। এ ক্ষেত্রে বিচার হয়তো হবে দেশের প্রধান কর্মকর্তা এতে সংশ্লিষ্ট হয়েছেন বলে। তাও সংশ্লিষ্টদের ফাঁকিবাজি শয়তানি ঘটনাটিকে কোথায় নিয়ে যায়, এ মুহূর্তে তা বলা কঠিন।

এ তাবৎ সংঘটিত ঘটনা বিচারে আমাদের শেষ কথা, একমাত্র দাবি শাসনযন্ত্রসহ সমাজকে ঢেলে সাজাতে হবে। এবং তা এই মুহূর্ত থেকে রাফি হত্যাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে। তার পূর্বশর্ত প্রশাসন, সুবিচার এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। এ ক্ষেত্রে দড়ি আলগা করার সুযোগ নেই। চাই প্রতিটি অপরাধের সুবিচার, আইনসংগত কঠিন শাস্তি—গতানুগতিক বিচারব্যবস্থায় নয়—বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এবং অতিদ্রুত।

এ কাজটি একমাত্র সম্ভবত শাসনযন্ত্রের সদিচ্ছায় ও সদাচারে, প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন—দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের উদ্দেশ্যে। এটাই তো সুশাসনের গোড়ার কথা, আধুনিক আইনিব্যবস্থার মূল কথা। প্রতিটি কাজের জবাবদিহি নিশ্চিত করা শাসনযন্ত্রের মূল কেন্দ্রসহ তার সব শাখার দায়িত্ব।

রাফি হত্যা অন্তত এ কাজে আমাদের বিবেককে জাগ্রত করুক, শুরু হোক রাজনৈতিক, সামাজিক সংস্কারের নতুন যাত্রা। এর বাইরে এসব অনাচার বন্ধ করার অন্য কোনো পথ নেই, সমাধান নেই।

লেখক : কবি, প্রাবন্ধিক, ভাষাসংগ্রামী

মন্তব্য